BJP, TMC, Birbhum, তৃণমূলের প্রতীক ফ্রিজ করে নির্বাচন কমিশন সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে: দুধকুমার মণ্ডল

আমাদের ভারত, বীরভূম, ১৮ সেপ্টেম্বর: “কে প্রতীক পাবে সেটা তৃণমূল নিজেরা ঠিক করতে পারেনি। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। তাই নির্বাচন কমিশন তৃণমূলের দুটি দলকেই সর্বভারতীয় প্রতীক ব্যবহারের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন”। শুক্রবার বীরভূমের ময়ূরেশ্বরে ওয়েস্ট বেঙ্গল গ্রামীণ ব্যাঙ্কের সতর্কতা সচেতনতা সপ্তাহের অনুষ্ঠান শেষে তৃণমূলের প্রতীক বিতর্ক নিয়ে এই মন্তব্য করেন রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী দুধকুমার মণ্ডল। তিনি বলেন, “তৃণমূল দ্বিধাবিভক্ত। তাই বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। সেই কারণে নির্বাচন কমিশন প্রতীক ফ্রিজ করতে বাধ্য হয়েছেন”।

এদিন ময়ূরেশ্বরের একটি বেসরকারি হোটেলে ওয়েস্ট বেঙ্গল গ্রামীণ ব্যাঙ্কের সতর্কতা সচেতনতা সপ্তাহ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে মন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন লিড ডিসট্রিক্ট ব্যাঙ্কের ম্যানেজার নিরজ কুমার, ওয়েস্ট বেঙ্গল গ্রামীণ ব্যাঙ্কের বীরভূম রিজিওনাল ম্যানেজার অভিক নিয়োগী, ময়ূরেশ্বর ২ নম্বর ব্লকের সহ কৃষি অধিকর্তা তন্ময় বর্মণ, ক্রাইম ব্রাঞ্চ ময়ূরেশ্বর থানার অফিসার আনন্দময় সরকার, ময়ূরেশ্বর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান তাপস নন্দী। অনুষ্ঠানে সমাজ মাধ্যমকে ব্যবহার করে যে সমস্ত প্রতারণা ঘটে চলেছে তার উপর আলোচনা করা হয়। প্রত্যেক বক্তা পরিস্কার করে জানিয়ে দেন ফোনে ব্যাঙ্কের অফিসার, বিদ্যুৎ দফতরের অফিসার, কিংবা থানা থেকে বলছি পরিচয় দিয়ে ফোন করলে তাদের ফাঁদে পা দেবেন না। কারণ বিদ্যুৎ বিল বাকি থাকলে ফোন করে কেউ বলবেন না। ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার জন্য কেউ ফোন করবেন না। থানা থেকেও ফোন করে ভয় দেখাবে না। তাই সচেতন বাড়াতে এরকম অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের অন্যতম আয়োজক সংস্থা মল্লারপুর নইসুভার সম্পাদক সাধন সিনহা বলেন, “মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে এরকম অনুষ্ঠান জেলায় ব্যাঙ্কের ৬৭টি শাখাতেই করা হবে”।

এদিন অনুষ্ঠান শেষে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এক্স হ্যান্ডেলে তৃণমূলের প্রতীক সম্পর্কে লেখা মন্তব্য প্রসঙ্গে কৃষিমন্ত্রী দুধকুমার মণ্ডল বলেন, “কংগ্রেস এবং তৃণমূলের অস্তিত্ব সংকটে। ফলে তারা ঠিক করতে পারছেন না, তাদের কি বলা উচিত, কি করা উচিত। রাজনৈতিকভাবে তারা তাদের জায়গা ধরে রাখতে পারছেন না। সেটা তাদের নিজেদের ব্যর্থতা, বিজেপির ব্যর্থতা নয়। ভারতবর্ষের সর্ববৃহৎ দল বিজেপি সমস্ত রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সুযোগ দিয়েছে। ফলে রাহুল গান্ধী কি বললেন সেটা তাঁর নিজস্ব বিষয়”।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *