(ছবি- দিপালী রানি ও তার ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি)
আমাদের ভারত, ১৮ জুলাই: হিন্দু নির্যাতন নিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আর্জি জানালেন বিজেপি’র সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সামাজিক মাধ্যমে এর প্রবল প্রতিক্রিয়া হয়েছে।
দিলীপবাবু সোমবার টুইটারে লিখেছেন, “শুক্রবারের নমাজের শেষে জেহাদীদের আক্রমণ নেমে এসেছে হিন্দুদের উপর। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অনুরোধ জানাই এই হিংসার ঘটনায় হস্তক্ষেপ করার জন্য ও দোষীদের শাস্তি দেওয়ার জন্য। সেইসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গবাসীকে জিজ্ঞেস করতে চাই আপনারা এই ঘটনাগুলি থেকে শিক্ষা নেবেন কিনা?”
বক্তব্যটি সামাজিক মাধ্যমে আসার পর ৪৫ মিনিটে লাইক আসে আড়াই হাজারের ওপর। মন্তব্য ও লাইকও হয়েছে প্রচুর। শিমুল দাস লিখেছেন, “আওয়ামী লিগ সরকারকে বাংলাদেশের ৯০% হিন্দুরা ভোট দিয়ে থাকে। সেই আওয়ামী লিগ সরকারের আমলেই বার বার হিন্দুদের উপর অমানবিক নির্যাতন লেগেই আছে। কিন্তু সরকার এইগুলো দেখেও দেখতে পায় না। দোষীরা বার বার অপরাধ করছে, কোনো বিচার হচ্ছে না। কোনো বিচার না হওয়ার জন্যই অপরাধীরা অপরাধ করতে সাহস পাচ্ছে। অথচ পদ্মা সেতুর নাট বল্টু খুললে প্রধানমন্ত্রীর কাছে খবর পৌঁছে যায়। তাদের রিমান্ডে নিয়ে শাস্তি দেওয়া হয়। দুঃখের বিষয় কোনো হিন্দু মরলে বা অত্যাচারিত হলে কোনো মিডিয়া বা প্রধানমন্ত্রীর চোখে পড়ে না।”
আলাপন চ্যাটার্জি লিখেছেন, “কিন্তু এই মানুষগুলোই এপারে এসে কট্টর সেকুলার সেজে যাবে এটাই সমস্যা।” সুকান্ত ভৌমিক লিখেছেন, “ইসলামিক দেশ এর এটাই রীতি। সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার করে তাড়িয়ে দেও। দশ কোটির হিন্দুর বাংলাদেশ এখন এক কোটি হিন্দু পরিবার থাকে। এটা শূন্য করার লক্ষ্যে এগিয়ে চলছে দুর্গা পূজার সময় থেকেই।”
শুভজিৎ দে লিখেছেন, “আমাদের পশ্চিমবঙ্গেও একদিন এইরকম হবে হয়তো এর থেকেও ভয়ঙ্কর অবস্থা হবে তখন আর কিছু করার থাকবে না। পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুরা যদি এখনও সচেতন না হয় তাহলে আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গের বুকে বড় বিপদ আসতে চলেছে !” বিলু কুমার ঢুল লিখেছেন, “হবে মানে হচ্ছে তো!“ বিশ্বজিৎ দাস লিখেছেন, “একদম ঠিক বলেছেন ভাই।”
সুরঞ্জিত বর্মণ লিখেছেন, “ধন্যবাদ। আমাদের বিষয়ে বলার জন্য। যদিও জানি না, আপনারা আমাদের জন্য কিছু করতে পারবেন কিনা? জানি না আমাদের উপরে তুচ্ছ বিষয়ে তথাকথিত ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে হামলা, অত্যাচারের শিকার কতটুকু কমবে? কিন্তু এভাবে বিশ্বের প্রতিটি হিন্দুর উপর অত্যাচারের জন্য সমানভাবে প্রতিবাদমুখর হওয়ার মন-মানসিকতা রাইখেন ভারতবাসীরা, যাতে অত্যাচারিত হওয়া মানুষগুলো কিছুটা হলেও মানসিকভাবে মনোবল পেতে পারে।”
সঞ্জীব ভৌমিক লিখেছেন, “কাঁদো হিন্দু কাঁদো তোমার কান্নায় কেউ সাড়া দিবে না। সবাই ঘুমাচ্ছে।”
সাজিব মোহন লিখেছেন, “নড়াইলের লোহাগড়ায়৷ অনুভূতির দোহাই দিয়ে প্রায় ৩০টি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও লুন্ঠন করেছে মোল্লারা।”

