আশিস মণ্ডল, রামপুরহাট, ৩১ ডিসেম্বর: করোনা থেকে অমিক্রন। সমস্ত ভ্রুকুটিকে উপেক্ষা করেই তারাপীঠে উপছে পড়ল ভক্তদের ভিড়। বছরের শেষ দিনে মা তারাকে পুজো দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে ভির জমিয়েছেন পুর্ন্যার্থীরা। অধিকাংশের মুখে নেই মাস্ক। শিকেয় উঠেছে দূরত্ববিধি।
তীর্থক্ষেত্রের পাশাপাশি বর্তমানে তারাপীঠ পর্যটন কেন্দ্রে রূপান্তরিত হয়েছে। পুন্যার্থীদের পাশপাশি শীতের মরসুমে বহু পর্যটক তারাপীঠে আসেন পিঠে রোদ নিয়ে বনভোজন সারতে। ২৫ ডিসেম্বরে থেকে সেই ভিড় শুরু হলেও আজ বছরের শেষ দিন সেই ভিড় কয়েকগুণ বেড়েছে। কার্যত করোনাকে হারিয়ে পুরোন বছরের সমস্ত গ্লানি মুছে ফেলে নতুন বছর যাতে ভালোভাবে কাটে পুনার্থিরা সেই প্রার্থনা করছেন মা তারার কাছে। এদিকে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে সব রকম ব্যবস্থা নিয়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। মাস্ক ছাড়া মন্দিরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না পুর্ন্যার্থীদের। তবে মন্দির থেকে নেমেই মাস্ক থাকছে না কারও মুখে। মন্দির কমিটি সমাজিক দুরত্ববিধি মেনে পুজো দেওয়ার উপর জোর দিলেও তাকে থোড়াই কেয়ার করে পুজো দিচ্ছেন পুনার্থীরা।
মন্দির কমিটির সভাপতি তারাময় মুখোপাধ্যায় বলেন, “আমরা নিজস্ব নিরাপত্তারক্ষী দিয়ে যতটা সম্ভব করোনা বিধি মানার চেষ্টা করছি। সেই সঙ্গে মাইকের মাধ্যমে দূরত্ববিধি বজায় রাখার উপর জোর দিচ্ছি। আমরাও আতঙ্কে রয়েছি। কারণ বছরের শেষে যেভাবে মানুষ আসছেন তাতে ভয়ের বিষয়।”

কলকাতা থেকে পুজো দিতে আসা মৃণাল রায় বলেন, “মন্দির কমিটি করোনাবিধি মানার উপর যথেষ্ট ততপরতা দেখাচ্ছে। কিন্তু ভক্তরা মায়ের সামনে সেই বিধি আর মানতে পারছে না। মন্দিরের নিচে বহু মানুষকে মাস্ক ছাড়াই ঘুরতে দেখছি।”

