একাদশ শ্রেণির নম্বর নিয়ে বৈষম্যের অভিযোগ, ছাত্রী বিক্ষোভ রামপুরহাটের স্কুলে

আশিস মণ্ডল, বীরভূম, ২২ জুন: একাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় কম নম্বর দেওয়ার প্রতিবাদে স্কুলের প্রধান শিক্ষিকাকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখালেন ছাত্রী ও তাঁদের অভিভাবকেরা। চাপে পড়ে নম্বরের বিষয়টি পুনর্বিবেচনার আশ্বাস দিলে তাঁরা ফিরে যান। ঘটনাটি ঘটেছে, রামপুরহাট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে। ওই বিদ্যালয়ের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীদের প্রাপ্য নম্বরের থেকে অনেক কম নম্বর দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। স্কুল কর্তৃপক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে এমনটা করেছেন বলে অভিযোগ ছাত্রী থেকে অভিভাবকদের। ছাত্রী ও অভিভাবকদের বিক্ষোভ এবং একাধিক প্রশ্নে জর্জরিত হয়ে নম্বর পুনর্বিবেচনার আশ্বাস দেন প্রধান শিক্ষক।

ছাত্রী অদিতি সাহা, সঞ্জনা রায়রা বলেন, “আমরা চাই সঠিক মূল্যায়ণ। যেহেতু করোনা বিধির কারণে পরীক্ষা হচ্ছে না সেহেতু মাধ্যমিকের নম্বরের উপর সাযুজ্য রেখে প্রাপ্য নম্বর দেওয়া হোক। প্রধান শিক্ষিকা আশ্বাস দিয়েছেন। তাঁর আশ্বাসে বিশ্বাস করে আমরা রয়েছি”।

অভিভাবক গৌতম বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “রাজ্য সরকার এবং সংসদের যে নির্দেশিকা রয়েছে তা পালন করেনি স্কুল কর্তৃপক্ষ। মাধমিকে যারা ৮০-৯০ শতাংশের বেশি নম্বর পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে তাদের চারের ঘরে নম্বর দেওয়া হয়েছে। এর ফলে উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে কিংবা বিভিন্ন প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষার ক্ষেত্রে ছাত্রীরা সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবেন”।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা মল্লিকা হালদার বলেন, “আমরা খাতা দেখে নম্বর বসিয়েছিলাম। কিন্তু এখন ছাত্রী ও তাদের অভিভাবকরা এসে নম্বর বাড়ানোর দাবি করতে থাকেন। কিন্তু আমরা ওই নম্বর সংসদে পাঠিয়ে দিয়েছি। আমরা মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছি বিষয়টি নিয়ে সংসদে যাব। সেখানে অনুরোধ করব নম্বর পুনর্বিবেচনা করার সুযোগ দেওয়ার। তাঁরা সেই সুযোগ দিলে আমরা ছাত্রী এবং সংসদের নিয়ম মেনেই নম্বর দেব”।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *