মিশন নির্মল বাংলা প্রকল্পে পচনশীল এবং অপচনশীল বর্জ্য আলাদাভাবে রাখতে বালতি দেওয়া হচ্ছে ঘাটালে

কুমারেশ রায়, আমাদের ভারত, মেদিনীপুর, ২৮ আগস্ট:
কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা অর্থাৎ সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট ওপর জোর দিচ্ছে সারা দেশ এবং পৃথিবী। গৃহস্থালির বর্জ্য পদার্থ যেমন ফল, সবজি, চায়ের পাতা, মাছের আঁশ, মাংসের হাড় সহ বিভিন্ন জিনিস যাদের বলা হয় পচনশীল বর্জ্য পদার্থ এবং অপচনশীল বর্জ্য যেমন কার্ডবোর্ড, খাতা, প্লাস্টিকের বোতল, ধাতু, রাবার ইত্যাদি এছাড়াও বিপদজনক বর্জ্য যেমন মেয়াদ উত্তীর্ণ কসমেটিকস, স্যানিটারি ন্যাপকিন, টিউবলাইট যে কোনও রাসায়নিক পদার্থ, ব্যাটারি ইত্যাদি। এইসব গুলিকে বলা হয় কঠিন বর্জ্য পদার্থ বা সলিড ওয়েস্ট যা পরিবেশের প্রচুর ক্ষতি করে।

পশ্চিমবঙ্গ সরকার মিশন নির্মল বাংলা প্রকল্পে পচনশীল বর্জ্য, অপচনশীল বর্জ্য এবং বিপজ্জনক বর্জ্যকে আলাদাভাবে সংগ্রহ করার পরিকল্পনা করেছে যাতে পরিবেশ কঠিন বর্জ্য পদার্থের দূষণ থেকে মুক্ত থাকে।

এই মর্মে প্রতিটি পুরসভায় সরকারি নির্দেশ এসেছে। সেই নির্দেশ অনুযায়ী ঘাটাল পৌরসভা প্রতিটি ওয়ার্ডে, প্রত্যেক বাড়িতে একটি নীল এবং একটি সবুজ বালতি পৌর নাগরিকদের দিচ্ছে।

নীল বালতিতে অপচনশীল বর্জ্য পদার্থ এবং সবুজ বালতিতে পচনশীল বর্জ্য পদার্থ ফেলার আবেদন পৌর নাগরিকদের করছে পৌরসভা। প্রত্যেকদিন পৌরসভার গাড়ি পচনশীল এবং অপচনশীল বর্জ্য পদার্থগুলি সংগ্রহ করবে, এরপর সেগুলিকে ডাম্পিং গ্রাউন্ড ফেলা হবে।
ওই বর্জ্য পদার্থগুলি থেকে কম্পোস্ট অথবা ভার্মি কম্পোস্ট সার তৈরি করা হবে।

ঘাটাল পুরসভার সহ প্রশাসক অজিত দে জানান, ২৭ আগস্ট, শুক্রবার থেকে প্রথম পর্যায়ে পুরসভার বারো হাজার পরিবারে এইরকম দুটি করে বালতি অর্থাৎ চব্বিশ হাজার টি বালটি দেওয়া কাজ শুরু হয়েছে।
এর সাথে দেওয়া হচ্ছে একটি নির্দেশমূলক কাগজ, যাতে পৌর নাগরিকরা কোনটি পচনশীল, কোনটি অপচনশীল পদার্থ তা আলাদা করে বালতিতে ফেলতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *