জে মাহাতো, আমাদের ভারত, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২৯ ডিসেম্বর: পিংলা থানার জামনা অঞ্চলের পিংলা গ্রামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায়। মৃত মহিলার স্বামী শ্রীমন্ত মাইতির অভিযোগ, বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে রাজমিস্ত্রির কাজ করছিলেন তিনি। দুপুর ১.৩০ নাগাদ বিড়ি ফিরে দেখি স্ত্রী মৌসুমী মাইতি গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলছে। সেই সময় আমার চিৎকারে ছুটে আসে প্রতিবেশীরা। খবর যায় পিংলা থানায়। যেভাবে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলছিল তা দেখে পুলিশ এবং গ্রামবাসীদের সন্দেহ হয়। গ্রামে ভাইকে নিয়ে সালিশি সভা ডাকা হলে তার ভাই স্বীকার করে সে তার বউদিকে খুন করেছে। পরে মৃতার স্বামীর অভিযোগে পিংলা থানার পুলিশ মৃতার দেওর তথা নীলাদ্রি মাইতিকে গ্রেফতার করে। ধৃতকে আজ বুধবার মেদিনীপুর আদালতে তোলা হয়।

জানা যায়, মৃতার ৮ বছর আগে বিয়ে হয়েছিল। সূত্রের খবর, সালিশি সভায় দেওর স্বীকার করে ৪ বছর ধরে বৌদির সাথে তার দৈহিক সম্পর্ক ছিল। সে বউদিকে পালিয়ে যাওয়ার কথা বলছিল কিন্তু বউদি ছেলেকে নিয়ে পালিয়ে যেতে রাজি হয়নি। সেই কারণেই এই খুন বলে মনে করছেন প্রতিবেশীরা।

