আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা, ১৪ সেপ্টেম্বর:
পাসপোর্টের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশের সময় এক বাংলাদেশি নাগরিকের কাছ থেকে দুই দেশের নথি উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল পেট্রাপোল সীমান্তে। সন্দেহজনক নথি উদ্ধারের পর ওই ব্যক্তিকে প্রথমে আটক করে ইমিগ্রেশন দফতর। পরে তাঁকে পেট্রাপোল থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হলে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানাগেছে, ধৃতের নাম কামরুল হুডা মুন্সি। সে বাংলাদেশের বাগেরহাটের বাসিন্দা। পাসপোর্ট নিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশের সময় পেট্রাপোল সীমান্তে ইমিগ্রেশন আধিকারিকরা তাকে তল্লাশি করেন। সেই সময় তার কাছ থেকে ভারত ও বাংলাদেশের বেশ কিছু নথি উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানাগেছে। দুই দেশের নথি তার কাছে কীভাবে এলো, সেগুলি বৈধ কি না এবং ওই নথি ব্যবহারের উদ্দেশ্য কী ছিল, তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয় ইমিগ্রেশন আধিকারিকদের মধ্যে। এরপর বিষয়টি পেট্রাপোল থানাকে জানানো হয়। ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের তরফে কামরুল হুডা মুন্সিকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হলে তাকে গ্রেফতার করে পেট্রাপোল থানার পুলিশ।
ঘটনার পর ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছেন তদন্তকারীরা। তার কাছে থাকা ভারতীয় ও বাংলাদেশি নথিগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নথিগুলির উৎস, সেগুলি কীভাবে তার হাতে এলো এবং সীমান্ত পারাপারের ক্ষেত্রে এগুলির কোনও ভূমিকা ছিল কি না, সেই সমস্ত বিষয় তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই ধৃত কামরুল হুডা মুন্সিকে বনগাঁ মহকুমা আদালতে পেশ করেছে পেট্রাপোল থানার পুলিশ। সীমান্ত দিয়ে যাতায়াতের ক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে আর কোনও অভিযোগ রয়েছে কি না, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। দুই দেশের নথি একসঙ্গে উদ্ধারের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই পেট্রাপোল সীমান্তের নিরাপত্তা ও নথি যাচাই প্রক্রিয়া নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

