সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা, ৯ মে: বহু সংগ্রাম, অনটন আর কঠিন বাস্তবতার মধ্যে দিয়ে ছোটবেলা কেটেছে বনগাঁ উত্তরের বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়ার। সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসে দীর্ঘ রাজনৈতিক লড়াই, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং মানুষের পাশে থাকার মানসিকতাকে পাথেয় করেই আজ তিনি রাজ্যের প্রথম সারির মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন বলে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের দাবি।
রাজনীতির ময়দানে একসময় তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি বলে পরিচিত বনগাঁ অঞ্চলে বিজেপির সংগঠন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অশোক কীর্তনীয়ার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বুথ স্তর থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে সংগঠনকে শক্তিশালী করার কৃতিত্বও অনেকেই তাঁর ঝুলিতেই দিচ্ছেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা এবং মাটির মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগই তাঁকে আজকের জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে।
অশোকবাবুর মা বলেন, ছোটবেলা খুব কষ্টে দিন কাটিয়েছে। গরু ছাগল পুষে ছেলেকে পড়াশোনা করিয়েছে। এক বেলা খেয়ে মানুষ হয়েছে অশোক। জীবনে কোনো অসৎ কাজ, অসৎ সঙ্গ তাঁর ছিল না। মন্ত্রী হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসতেই তাঁর মা সহ বনগাঁ উত্তরের বিভিন্ন এলাকায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা যায়। বাজি ফাটিয়ে, মিষ্টি বিতরণ করে আনন্দে সামিল হন বহু মানুষ। অনেকের বক্তব্য, “সাধারণ ঘরের ছেলে আজ রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছেন, এটা বনগাঁর মানুষের কাছেও গর্বের।”
অশোক কীর্তনীয়া জানিয়েছেন, মানুষের আশীর্বাদ ও কর্মীদের পরিশ্রমের ফলেই এই সাফল্য এসেছে। আগামী দিনে আমার প্রথম কাজ আন্তর্জাতিক স্থল বন্দর পেট্রাপোল সীমান্তের উত্তয়ন্ন, প্রচুর যুবক আজ বেকার, কাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছে, সেই সব কাজ গুলো আবার যাতে চালু হয় সেই দিকে নজর দেওয়া সহ উত্তর ২৪ পরগনার উন্নয়নে আরও বেশি করে কাজ করবেন বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

