BJP, Bankura, ব্রিগেডে শপথ, বাঁকুড়ায় লাড্ডু বিতরণ ও আনন্দোৎসব

সোমনাথ বরাট, আমাদের ভারত, বাঁকুড়া, ৯ মে: রাজ্যে বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় খুশির আনন্দে মেতে উঠেছে বাঁকুড়া। আজ সকালে বিভিন্ন এলাকায় বড় পর্দায় শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রী সভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের সরাসরি সম্প্রচারের সঙ্গে মিষ্টি মুখের আয়োজন করা হয়।

জেলার বিভিন্ন জায়গায় লাড্ডু বিতরণ করতে দেখা যায় বাড়িতে বাড়িতে। আজ সকালে বাঁকুড়া শহরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে লাড্ডু বিতরণের ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। যখন কলকাতায় শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান চলছিল তখন এই ওয়ার্ডের বিজেপি কর্মীরা প্যকেট ভর্তি লাড্ডু নিয়ে ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের ঘরে ঘরে হাজির হন। তাদের সহযোগিতা, শুভেচ্ছা ও বড়দের আর্শিবাদ প্রার্থনা করে নতুন সরকারের পাশে থাকার আবেদন জানান।

রাজ্য সরকারে পালাবদল ঘটেছে বিপুল জনাদেশে। বাঁকুড়ার ১২টি আসনেই নির্মূল হয়েছে ঘাসফুল শিবির। পদ্ম ফুটেছে সর্বত্র। কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে দেশের প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর উপস্থিতিতে যখন শপথ নিচ্ছে রাজ্যের নতুন সরকার তখন বাঁকুড়ার গ্রামে ও শহরে পড়শিদের মিষ্টি মুখ করাতে ব্যস্ত বিজেপি কর্মী ও নেতারা। বাঁকুড়া পৌর শহরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের এই বিজেপি কর্মী ও সমর্থকদের বক্তব্য, এদিন তাদের অনেকেই ব্রিগেড গেছে।তারা রয়ে গেছেন পড়শিদের মিষ্টি মুখ করাতে। নিজেদের পকেট থেকে টাকা খরচ করে শুক্রবার থেকেই হাজার হাজার লাড্ডু তৈরি করেছেন বিজেপির স্থানীয় নেতা-কর্মীরা। লাড্ডু তৈরির পর সকলে মিলে সেগুলি প্যাকেট-বন্দি করেছেন।

তাদের দাবি, নতুন সরকারের আমলে রাজ্যের মানুষের মুখে ফিরবে মিষ্টি হাসি। সেই আশা নিয়েই রাসতলা এলাকার মানুষকে মিষ্টি মুখ করানো হয়। কোথাও আবার ঝালমুড়ি বিতরণ করা হয়। জেলার বিভিন্ন জায়গায় এই ছবি দেখা যায়। জেলার জঙ্গলমহল এলাকায় বাড়ি বাড়ি লাড্ডু বিতরণের পাশাপাশি পড়শিদের নিয়ে গেরুয়া আবির খেলা ও আনন্দে মেতে উঠতে দেখা যায়। সিমলাপাল, তরুপুর ও মাচাতোড়া এলাকায় আনন্দে মেতে ওঠে এলাকাবাসীরা।

সরকার পরিবর্তনের পর স্থানীয় এলাকা, জেলা ও রাজ্য থেকে দুর্নীতি, অত্যাচার, চুরি ও সিন্ডিকেট রাজ বন্ধ হবে। শান্তি ফিরে আসবে এলাকায়। শালতোড়া, ছাতনা, বাঁকুড়া ও তালডাংরা সহ জেলার সর্বত্রই এই একই দৃশ্য দেখা যায়। জেলাবাসীর বক্তব্য, রাজ্যে সরকার বদল হওয়ার স্বস্তি পাওয়া গেছে। সেই স্বস্তি উপভোগ করতেই তারা সকলে আনন্দে মেতে ওঠেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *