আমাদের ভারত, ব্যারাকপুর, ২৫ মার্চ: “বীরভূমের বগটুইয়ের অগ্নিকাণ্ডে ঘটনা সম্পূর্ণ ভাবে তোলাবাজির কারণে ঘটেছে। আমরা ওখানে গিয়ে এটাই উপলদ্ধি করেছি যে আমাদের রাজ্যে আইনের শাসন না বরং শাসকের শাসন চলছে। পৌরসভাগুলিতে পৌর প্রধান হওয়ার জন্য তৃণমূল দলকে ৫ কোটি টাকা দিতে হয়েছে তাহলে এই টাকা গুলো দলের নেতারা কোথা থেকে তুলবে। তাই রাজ্যে তোলাবাজি চলছে আর একদল সেটা না পেলেই এই খুন খারাপি চলছে।” রামপুরহাট কাণ্ডে ঘটনাস্থল ঘুরে এসে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং।
এদিন তিনি সিবিআই তদন্ত প্রসঙ্গে বলেন, “এই ঘটনা থেকে প্রমাণিত যে পুলিশ চাইলে এই ঘটনাটা আটকাতে পারতো। কারণ ওখানকার মানুষ বারবার আমাদের কাছে অভিযোগ করে বলেছে যে সেদিন গ্রামের মানুষ পুলিশকে নিরাপত্তা দেওয়ার কথা জানালেও পুলিশ কোনো নিরাপত্তা দেয়নি। তাহলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের কি অবস্থা তৈরি করেছেন বুঝুন। আদালত সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। এবার সব রহস্য উন্মোচিত হবে।”
এদিন তিনি এই ঘটনা তোলাবাজির কারণে ঘটেছে বলে অভিযোগ করে বলেন, ” আসলে ভোটের সময় পুলিশকে দিয়ে বুথ দখল করিয়ে ক্ষমতা পেয়েছেন, তাই পুলিশ এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাথায় উঠে বসেছে। পৌর প্রধান হতে গেলে দলকে টাকা দিতে হচ্ছে আর সেই টাকা দলের নেতারা কোথা থেকে আনবে। এই তোলাবাজি থেকেই আনবে। আর কেন্দ্র এবার বিভিন্ন প্রকল্পে যে টাকা দেয় সেটা যে কোনো দিন বন্ধ করে দিতে পারে এটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানেন। কারণ কেন্দ্রের পাঠানো টাকা কোথায় কি ভাবে ব্যয় হচ্ছে তার হিসাব সঠিক ভাবে রাজ্য দেখাতে পারছে না। তাই এরা চাইছে তোলা তুলে কাজ চালাতে। আর সেটা দলের যারা তুলতে পারছে না তারাই খুন খারাপি করছে।”
তিনি এদিন কেষ্ট মণ্ডল অর্থাৎ অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করার কথাও বলেন। রামপুরহাট কাণ্ডের কিছু সময়ের মধ্যে টিভি ফেটে আগুন লাগার যে কথা অনুব্রত মণ্ডল বলেছিল সেটা নিয়েই প্রশ্ন তোলেন সাংসদ অর্জুন সিং।

