আমাদের ভারত, ২২ ফেব্রুয়ারি: কর্ণাটক হাইকোর্টের হিজাব মামলার শুনানি চলছে। রাজ্যের হয়ে সওয়াল করছেন এডভোকেট জেনারেল প্রবলিংগো লাভাদোগী। শুনানির অষ্টমদিনে এজি বলেন, কোনও অভ্যাস ধর্মীয় হতে পারে কিন্তু তা ধর্মের অবিচ্ছেদ্য ও অপরিহার্য অংশ নয়।
এক্ষেত্রে তিনি ১৯৯৪ সালের ইসমাইল ফারুকি মামলার প্রসঙ্গ টেনে আনেন। সেই মামলার রায়ে সুপ্রিম কোর্টের ৫ বিচারপতির বলেন ইসলাম ধর্ম পালনের জন্য মসজিদ অপরিহার্য নয়। একজন মুসলিম ব্যক্তি যে কোনও জায়গায় নমাজ পড়তে পারেন। এজি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাসের হিজাব পড়া নিয়ে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। নিষেধ রয়েছে শুধু ক্লাস রুমের মধ্যে।
তিনি আরও বলেন, এই মামলার সমস্যা হল, যে মুহূর্তে হিজাব পরা ধর্মীয় অনুমোদন হয়ে দাঁড়াবে সংশ্লিষ্ট মহিলা তা পরতে বাধ্য হবেন। তার পছন্দ-অপছন্দ বলে আর কিছুই থাকবে না। তার কথায় মানুষের সম্মানের বড় অঙ্গ স্বাধীনতা, কি পরবো কি পরবো না তার স্বাধীনতা। আবেদনকারীর সমস্ত দাবিটাই একে বাধ্যতামূলক করা যা সংবিধানের নীতিবিরুদ্ধ। একে বাধ্যতামূলক করা যায় না সংশ্লিষ্ট মহিলার পছন্দের উপর ছেড়ে দেওয়া উচিত।
এজি বলেন, হিজাব নিষিদ্ধের নির্দেশে কোনওরকম ধর্মীয় বৈষম্য করা হয়নি। তার কথায় বেসরকারি সংখ্যালঘু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে আমরা কোনও রকম নাক গলাইনি। সেই সিদ্ধান্ত তাদের উপরই ছেড়ে দিয়েছি। তিনি বলেন,”আবেদনকারীদের অনেকটা অংশ মহিলা সংগঠনের, আমি তাদের বলতে চাই নারীদের মর্যাদার দিকটাও তো মাথায় রাখতে হবে।”

