লোকে হাসাহাসি করছে তো ! একবার গেলেই ভয় কেটে যাবে, তখন বারবার যেতে ইচ্ছে করবে, সিবিআইয়ের কাছে অনুব্রত গরহাজিরা নিয়ে কটাক্ষ সুকান্তর

আমাদের ভারত, ২৩ এপ্রিল: অসুস্থতার কারণে শনিবার সিবিআই নোটিশ দেওয়ার পরেও হাজিরা দিতে পারেনি অনুব্রত মণ্ডল। এই নিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা অনুব্রত মণ্ডলকে ছয়বার গরু পাচার কাণ্ডে সমন পাঠালেও গরহাজির থেকে গেলেন তৃণমূল নেতা। আর সিবিআইয়ের কাছে অনুব্রত হাজির না হওয়ায় তাকে নিয়ে কটাক্ষ করলেন সুকান্ত মজুমদার। রাজ্য বিজেপি সভাপতি বলেন, একবার গেলে ভয় কেটে যাবে। তখন বারবার যেতে ইচ্ছে করবে। আজ মেদিনীপুরে বিজেপির জেলা কার্যালয়ে একথা বলেন সুকান্ত মজুমদা।

মেদিনীপুরে জেলা বিজেপি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আমার মনে হয় ওনার যাওয়া উচিত। বিভিন্ন অজুহাতে উডবার্নে ভর্তি হচ্ছেন। আর সেটা নিয়ে লোকে হাসাহাসি করছে, বলাবলি করছে। এসব তো ওনার মান-সম্মানের লাগে বলে মনে হয়। কত আর অছিলা দেবেন? অছিলা ছেড়ে এবার সিবিআইয়ের মুখোমুখি হওয়া উচিত। কতটা উনি পেয়েছেন কতটা ওপরে ট্রান্সফার করেছেন সেসব সিবিআইকে বলে দিলেই মিটে যায়। একবার গেলেই ভয় কেটে যাবে তখন বারবার যেতে ইচ্ছে করবে।”

এসএসকেএম হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার ২৪ ঘন্টার মধ্যে গরু পাচার কাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছিল সিবিআই। দুপুর দেড়টা নাগাদ তলব করে বিকেল সাড়ে পাঁচটার মধ্যে হাজির হতে বলা হয়। কিন্তু গরু পাচার মামলায় হাজিরার ৪ মিনিট আগে সিবিআইকে ইমেইল পাঠানো হয় অনুব্রত মণ্ডলের তরফে। পাঠানো হয় তার শারীরিক অবস্থার রিপোর্ট। জানা গেছে সেই সমস্ত মেডিকেল তথ্য খতিয়ে দেখছেন সিবিআই আধিকারিকরা।
বীরভূমে তৃণমূল জেলা সভাপতিকে সপ্তম নোটিস পাঠানো হবে কি না তা এখনও জানা যায়নি।

৬ এপ্রিল এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। তার আগের দিন বোলপুর থেকে কলকাতায় চিনার পার্কের ফ্ল্যাটে আসেন অনুব্রত। গরু পাচার কাণ্ডের ৬ এপ্রিল তার সিবিআই দপ্তরে হাজিরা ছিল। সেদিন সকালে তিনি অসুস্থ বোধ করেন এবং নিজাম প্যালেসে যাওয়ার বদলে তিনি সোজা এসএসকেএমে চলে যান। ১৭ দিন পরে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন অনুব্রত মণ্ডল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *