টাকা নিয়ে ঠিকেদারদের সঙ্গে ঝামেলার পরেই শ্রমিকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে বিক্ষোভ বনগাঁয়

সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা, ১৪ মার্চ: টাকা নিয়ে ঠিকাদার ও ফোরম্যানের সঙ্গে ঝামেলা পরেই ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হল এক শ্রমিকের। মৃত ওই শ্রমিকের নাম কেনারাম ভট্টাচার্য। উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ থানার কালুপুর জেয়ালা গ্রামের বাসিন্দা ২০ বছরের যুবক কেলারাম ভট্টাচার্য। গত মাসে কেনারাম কাজ করতে গিয়েছিল হায়দ্রাবাদে। ওই মৃতদেহ ময়না তদন্ত না করিয়েই
অ্যাম্বুলেন্স করে বাড়ি পাঠিয়ে দিল ফোরম্যানরা। অ্যাম্বুলেন্স ঘিরে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে পরিবার সহ গ্রামবাসীরা। পুলিশ তদন্তের আশ্বাস দিলে বিক্ষোভ তুলে নেয় গ্রামবাসীরা। বনগাঁ থানার পুলিশ ময়না তদন্তের জন্য বনগাঁ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়।

মাসখানেক আগে হায়দ্রাবাদে রাজমিস্ত্রির কাজে গিয়েছিল কালুপুর পঞ্চায়েতের জেয়ালা গ্রামের যুবক কেনারাম ভট্টাচার্য। প্রতিবেশী জামাই ফোরম্যান ভীম বিশ্বাস নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে কাজে গিয়েছিল কেনারাম। এক সপ্তাহ কাজ করার পর থেকেই টাকা নিয়ে ঝামেলা বাধে ভীমের সঙ্গে।তিনদিন আগে কেনারাম 
বাড়িতে ফোন করে তার
মা’কে জানিয়েছিল কাজের জায়গায় ভীম ও ঠিকাদাররা তাঁর উপরে অত্যাচার করচ্ছে।বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য জানায় সে। এরপরই ভীমের সঙ্গে ফোনে কথা বলে তার পরিবার। ভীম পরিবারের কাছে কুড়ি হাজার টাকা দাবি করে। ভীম জানায় কাজ থেকে বাড়ি যেতে হলে তাকে কুড়ি হাজার টাকা দিতে হবে। শনিবার সকালে কেনারাম 
কাজে না যাওয়ায় প্রতিবেশী এক সহকর্মী গণেশ দাস ঘর খুলে দেখে তার ঝুলন্ত দেহ। ঘটনা জানাজানি হওয়ার আগেই ঠিকাদার আর ভীম
অ্যাম্বুলেন্স এনে দেহ তুলে দেয় বাড়ির উদ্দেশ্যে।

প্রতিবেশী সহকর্মী গাণেশ দাস বলেন, আমি ময়না তদন্তের কথা বলতেই ভীম তাকে খুনের হুমকি দেয়। পুলিশকে না জানিয়ে
অ্যাম্বুলেন্স করে মৃতদেহ নিয়ে আসতে বাধ্য 
করে বলে অভিযোগ। রবিবার সকালে জিয়ালা 
গ্রামে দেহ পৌছাতেই ক্ষোভে ফেটে পড়ে স্থানীয়রা।স্থানীয়দের দাবি, কেনারামকে খুন করা হয়েছে। 
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বনগাঁ থানার পুলিশ।
 
 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *