রেল রোকোর পর এবার কুড়মিদের আন্দোলনকে জাতীয়স্তরে নিয়ে যেতে সংসদ ভবন ঘেরাও কর্মসূচি

পার্থ খাঁড়া, আমাদের ভারত, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১১ ডিসেম্বর: কুড়মি জাতিকে তফশিলি উপজাতির তালিকাভুক্ত করা, সারনা ধর্মের স্বীকৃতি এবং কুরমালি ভাষাকে অষ্টম তফসিলের অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে এবার একযোগে আন্দোলনমুুখী হচ্ছে ঝাড়খন্ড, ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গের একাধিক কর্মী সংগঠন।

আগামীকাল ১২ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে ‘সংসদ ভবন হুড়কা জাম’ বা সংসদ ভবন ঘেরাও-এর ডাক দিয়েছে তিন রাজ্যের কুড়মি সংগঠনগুলির যৌথ মঞ্চ ‘আদিবাসী টোটেমিক কুরমি, কুড়মি (মাহাতো) সমাজ’। ওই যৌথ মঞ্চে প্রধানত রয়েছে ঝাড়খণ্ডের কুড়মি বিকাশ মোর্চা, কুড়মি সেনা, ওড়িশার কুড়মি সেনা এবং এই রাজ্যের কুড়মি সমাজ, পশ্চিমবঙ্গ। এ ছাড়াও ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশার আরও গোটা দশেক কুড়মি সংগঠনও একযোগে সংসদ ভবন ঘেরাও অভিযানে শামিল হচ্ছে।

কুড়মি সমাজ, পশ্চিমবঙ্গের সভাপতি রাজেশ মাহাতোর কথায়, “কুড়মিদের দাবি নিয়ে জাতীয় স্তরে ইতিপূর্বে কর্মসূচি হলেও প্রাপ্তির ভাঁড়ার শূন্য। তাই ফের আরও সংগঠিত ভাবে দিল্লির দরবারে আমাদের দাবি পেশ করতে উদ্যোগী হচ্ছি।”

উল্লেখ্য, চলতি বছরের গত ২০-২৪ সেপ্টেম্বর কুড়মিদের দাবি দাওয়া নিয়ে টানা পাঁচ দিন ধরে পশ্চিম মেদিনীপুরের খেমাশুলিতে, ৪৯ নম্বর জাতীয় সড়ক ও রেলপথ সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ রেখে রেলপথ, জাতীয় সড়ক এবং পুরুলিয়ার কুস্তাউরে রেল অবরোধ করা হয়েছিল। ইতিপূর্বে, ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে নয়াদিল্লির সংসদ মার্গে ‘মাহুর ডঁড় অগুয়ান’ (বিনীত ভাবে দন্ডি কেটে আবেদন জানানো) কর্মসূচি হয়েছিল। রাজেশ সেবার দিল্লিতে ওই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *