মাকে খুন করার অভিযোগ ছেলে ও বৌমার বিরুদ্ধে, বনগাঁয় পাট ক্ষেত থেকে উদ্ধার দেহ

সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা, ৬ জুলাই: পাঁচ দিন নিখোঁজ থাকার পর পাট ক্ষেত থেকে দেহ মিলল এক মাঝ বয়সী মহিলার। এই নিয়ে বুধবার সকাল থেকে চাঞ্চল্য ছড়াল এলাকায়। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ থানার নতুন গ্রামের মাঝেরপাড়ায়। ওই এলাকার একটি মাঠ থেকে ওই মহিলার অর্ধনগ্ন দেহ উদ্ধার হয়।

প্রাথমিক তদন্তের পরে পুলিশ জানিয়েছে, মৃতার মাথায় ও বুকে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত মহিলার নাম সীমা দে (৫৮)। সীমাদেবীর স্বামী পিডাব্লুডিতে চাকরি করতেন। বছর দশ আগেই মৃত্যু হয়েছে তার।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, শনিবার সন্ধ্যায় বাজারে যাওয়ার নাম করে সীমাদেবী বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন। তারপর থেকেই তিনি নিখোঁজ হয়ে যায়। সীমাদেবীর বড় মেয়ে সেই রাতে আত্মতীয়দের বাড়ি খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে বনগাঁ থানায় নিখোঁজ ডাইরি করেন। বুধবার সকালে বাড়ি থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে একটি পাট ক্ষেত থেকে উদ্ধার হয় সীমাদেবীর দেহ।

বড় মেয়ে মিঠু শীল ও বড় ভাই গোপাল দের অভিযোগ, তাদের ছোট ভাই রণজিৎ দে ও ভাইয়ের বউ নূপুর দে দীর্ঘ দিন ধরে বার বার মায়ের কাছে টাকার দাবি করছিল। টাকা না দিলেই মাকে মারধর করত। এদিনও টাকা দিতে অস্বীকার করায় মাকে খুনের হুমকি দেয় ছোট ভাই। আমাদের দীর্ঘ বিশ্বাস ছোট ভাই ও তার বউ তাদের মাকে খুন করেছে।

স্থানীয় সূত্রের খবর, এদিন সকালে স্থানীয় কৃষকরা চাষ করতে গিয়ে পাট ক্ষেতের মধ্যে থেকে পচা গন্ধ পায়। পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ গিয়ে দেহটি উদ্ধার করে বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালে ময়না তদন্তে পাঠিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *