অমরজিৎ দে, ঝাড়গ্রাম,১০ জানুয়ারি: ঝাড়গ্রাম শহরে করোনা পরিস্থিতি ঊর্ধ্বমুখী। ঝাড়গ্রামের পুলিশ সুপার বিশ্বজিৎ ঘোষ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, বেশ কয়েক জন পুলিশ কর্মী, স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকরা এবং অনেক স্বাস্থ্য কর্মীরা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ঝাড়গ্রাম পৌরসভা এলাকায় হু হু করে করোনা সংক্রমণে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।

রবিবার স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রকাশিত বুলেটিনে ঝাড়গ্রামে ১৪৩ জন নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। তাই ঝাড়্গ্রাম জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য ঝাড়গ্রাম পৌরসভা এলাকায় সোমবার সকাল ৬ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত এক দিনের সম্পূর্ণ লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে ঝাড়গ্রাম পৌরসভা এলাকায় এক দিনের লকডাউন। ঝাড়গ্রাম শহরে সব দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। অফিস-আদালত বন্ধ, রাস্তাঘাট শুনসান, যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ রয়েছে। কেবলমাত্র জরুরি পরিষেবাকে লকডাউনের আওতা থেকে বাদ রাখা হয়েছে। ঝাড়গ্রাম জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে লকডাউন সফল করে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে প্রতি সপ্তাহের বুধবার ও শুক্রবার ঝাড়গ্রাম জেলার সমস্ত সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঝাড়গ্রাম জেলা প্রশাসন।

করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে যে সব প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন ঝাড়গ্রাম জেলা প্রশাসন তাই করেছে বলে জানাগেছে। তাই লকডাউনের ফলে ঝাড়গ্রাম পৌরসভা এলাকা একেবারে স্তব্ধ অবস্থায় রয়েছে। ঝাড়গ্রাম পৌরসভা এলাকায় পুলিশ কর্মীরা টহল দেওয়ার কাজ শুরু করেছে।

