আমাদের ভারত, ৭ জুন: বেঙ্গালুরু থেকে ধরা পড়ল এক হিজবুল মুজাহিদিন জঙ্গি। গত একমাস ধরে কাশ্মীরে একের পর এক জঙ্গি হামলায় প্রাণ হারিয়েছে সাধারণ মানু। এদের মধ্যে বেশিরভাগই কাশ্মীরি হিন্দু। সেই সব ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বেঙ্গালুরু থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তালিম হোসেন নামে এক জঙ্গিকে। জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ এই জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করেছে।
এই জঙ্গি গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাই বলেছেন, “যৌথভাবে অভিযান চালিয়েছিল কর্ণাটক এবং কাশ্মীর পুলিশ তাতেই একজন জঙ্গি ধরা পড়েছে। এখনো তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। সন্দেহভাজনদের উপর নজর রাখা হচ্ছে।”
অন্যদিকে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের আইজি জানিয়েছেন, কাশ্মীরি পন্ডিত রাহুল ভাটের খুনের সঙ্গে জড়িত দু’জনের মধ্যে একজনকে নিকেশ করা হয়েছে। আরেকজনের উপর নজর রাখা হচ্ছে। গত সপ্তাহে ব্যাঙ্কের ভিতরে ঢুকে খুন করা হয়েছিল ম্যানেজার বিজয় কুমারকে সেই ঘটনা প্রসঙ্গে আইজি জানিয়েছেন, সেই ঘটনায় অভিযুক্তদের ইতিমধ্যেই চিহ্নিত করা হয়েছে খুব তাড়াতাড়ি তাদের গ্রেফতার করা হবে।
সম্প্রতি হিজাব বিতর্কে অগ্নিগর্ভ হয়েছিল কর্ণাটক। তার মধ্যে আবার জঙ্গি গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়লে অশান্তি হতে পারে এমন আশঙ্কাও রয়েছে। ফলে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে সেখানে।
এদিকে কাশ্মীরে জঙ্গিদের কোমর ভাঙছে তৎপর নিরাপত্তা বাহিনী। এনকাউন্টারে ২ জঙ্গি নিকেষজ হয়েছে। ভোরে কুপওয়ারা জেলার কান্দি এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে জঙ্গিদের গুলির লড়াই হয়। সেখানে আধাসেনা ও পুলিশের যৌথ দলের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে জেহাদিদের। বেশ কিছুক্ষণ লড়াইয়ের পর তুফাইল নামের এক পাক জঙ্গি সহ দুই সন্ত্রাসবাদী নিহত হয়। মৃতরা দুজনেই পাক মদদপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন লস্কর ই- তৈবার সদস্য।
একের পর এক জঙ্গি হামলায় সাধারণ মানুষের মৃত্যুর ঘটনায় উত্তাল হয়েছে কাশ্মীর। অনেকেই প্রাণভয়ে কাশ্মীর ছেড়ে পালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে জঙ্গিদের খতম করার বিষয়ে আবারও আক্রমণাত্মক পথে হাঁটতে শুরু করেছে সেনা। জঙ্গি দমনে সক্রিয় ভূমিকা নিতে সেনা ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী একের পর এক জেহাদি কমান্ডারদের খতম করছে।

