জোর করে তুলে নিয়ে বিয়ে করার পর নির্যাতনের অভিযোগ বনগাঁর এক সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে

আমাদের ভারত, বনগাঁ, ২৫ মার্চ: বধূকে মারধর, ঘরে আটকে রাখা সহ শারীরিক নির্যাতন করার অভিযোগ উঠল এক সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ থানার শক্তিগড় এলাকায়। পুলিশ এখনও অভিযুক্ত সিভিক অভিনন্দন ঘোষ ওরফে বাবাইকে গ্রেফতার করেনি।

সূত্রের খবর, বছর চারকে আগে বনগাঁর ১২পল্লি এলাকার বাসিন্দা এক যুবতীকে বাড়ি থেকে তুলে এনে বিয়ে করে বাবাই। বিয়ের পর প্রথমে ওই যুবতীর বাড়ি থেকে মেনে নেয়নি। এক বছর পর যুবতীকে বাড়ির লোকজন মেনে নেয়। এরপর থেকেই শুরু হয় অশান্তি। দাবিদাওয়া নিয়ে বধূর ওপরে চাপ সৃষ্টি করে বাবাই। অন্য পুরুষের সঙ্গে সন্দেহ করে বধূকে ঘরে তালা দিয়ে বাইরে বেরত বাবাই। এরপর রাতে চলত শারীরিক নির্যাতন। যুবতী তাঁর অত্যাচারের কথা প্রথম প্রথম বাপের বাড়ির কাউকে জানাতো না। এক বছর আগে অশান্তি চরমে ওঠে, মারধর করে ওই বধূর মুখ ফাটিয়ে দেয়। সেই সময় তাঁর বাপের বাড়িতে অত্যাচারের কথা জানায়। মেয়ের বাড়ির লোকজন প্রতিবাদ করতে এলে তাঁদের খুন করার হুমকি দেয় বাবাই। সম্প্রতি বধুকে ঘর বন্ধ করে বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। এরপর মেয়েকে নিতে আসে তাঁর মা। তাকেও অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে তাঁর বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়, এমনকি মেয়ের সঙ্গে দেখা পর্যন্ত করতে দেয় না বাবাই। বাধ্য হয়ে থানায় অভিযোগ জানায় পরিবার।

এরপর রাতে পুলিশ এসে ঘর খুলে ওই বধূকে বের করে। অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ার বাবাইয়ের বিরুদ্ধে বধূ নির্যাতনের অভিযোগ দ্বায়ের করে বনগাঁ থানায়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। যদিও পুলিশ এখনও কেন বাবাই কে গ্রেফতার করেনি এই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে পরিবারের পক্ষ থেকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *