আমাদের ভারত, জলপাইগুড়ি, ৫ জুন: হাসপাতালে দেওয়া খাবারে কেঁচো, ক্ষোভ জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালের রোগীর পরিজনদের মধ্যে। একাংশ রোগী রবিবার হাসপাতাল থেকে দেওয়া খাবার না নিয়ে বাড়ি থেকে কিংবা দোকান থেকে খাবার কিনে আনলেন। এদিকে অভিযোগ শুনেই খাবার সরবরাহ সংস্থার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
শনিবার রাতে সদর হাসপাতালের শিশু বিভাগে রাতের খাবার ভাত ও সোয়াবিনের তরকারি দেওয়া হয়। খাবার মুখে তুলতে গিয়ে চক্ষু চড়কগাছ এক শিশুর মায়ের। ভাতের মধ্যে মৃত কেঁচো জড়িয়ে রয়েছে। প্রাথমিক অনুমান সোয়াবিন কিংবা ভাতে কেঁচো ছিল, সেই কেঁচো সেদ্ধ হয়ে গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল চত্বরে হুলুস্থূল পড়ে যায়। অন্য রোগীরা ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিবাদ জানায়।
এ দিন সকালে খাবার দিতে আসেন ওই ঠিকাদার সংস্থার কর্মীরা। অনেক রোগীর পরিজন খাবার নিলেন না। বাড়তি টাকা খরচ করে বাইরে দোকান থেকে খাবার কিনে আনলেন। রাজগঞ্জ ব্লকের কুকুরজান এলাকার বাসিন্দা দীপক রায় বলেন, “আমার নয় মাসের মেয়ে সর্দিকাশি নিয়ে ভর্তি রয়েছে। খাবারে কেঁচো পাওয়া যায়। এই কারণে অনেক খাবার নেয়নি। আমি বাড়ি থেকে খাবার কিনে এসেছি।” খাবার সরবরাহ সংস্থার ইনচার্জ দুলু ঘোষকে এই বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি। প্রশ্ন এড়িয়ে চলে যান।

যদিও রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান প্রদীপ কুমার বর্মা বলেন, “হাসপাতালে খাবারে কেঁচো পাওয়া গিয়েছে। বিষয়টি গুরুসহকারে দেখা হচ্ছে। রোগী কল্যাণ সমিতির বৈঠকে তোলা হবে।”

