আমাদের ভারত, ৩ সেপ্টেম্বর: কাবুল দখলের পর তালিবানদের মুখপাত্র জবিউল্লাহ মুজাহিদ জানিয়েছিলেন আফগানিস্তানের মাটিকে ভারত বা অন্য কোনও দেশের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের জন্য ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। কিন্তু দুদিনেই নিজেদের অবস্থান থেকে সরে দাঁড়ালো তারা।
বৃহস্পতিবার তালিবানের মুখপাত্র সুহেল শাহিন বলেন, মুসলিম হিসেবে আমাদের কাশ্মীরের মুসলিমদের পক্ষে আওয়াজ তোলার অধিকার রয়েছে। শুধু ভারত নয়, অন্য যেকোনো দেশের মুসলিমদের পক্ষে তারা সরব হতে পারেন বলে জানিয়েছেন শাহিন। নব্বইয়ের দশকে তালিবান প্রধান মোল্লা মহম্মদ ওমরের অনুসারিরা জৈশ-ই-মহম্মদ, লস্কর ই তৈবার মত কাশ্মীরে সক্রিয় পাক জঙ্গি গোষ্ঠীর পক্ষে কথা বলত। এখন আবার নতুন করে কাশ্মীরের সেই পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি ও অশান্তির সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের।
কাশ্মীর নিয়ে তালিবানের এই অবস্থান বদলের পেছনে আল-কায়দার ভূমিকা রয়েছে বলে মত অনেকের। মঙ্গলবার কাশ্মীরকে ইসলামের শত্রুদের কবল থেকে মুক্ত করার ডাক দিয়েছে আল কায়দা। আর তালিবানরা সেই একই সুরে কথা বলল তারপরই।
এই পরিস্থিতিতে আশঙ্কা করা হচ্ছে, নিরাপত্তা যতই আঁটোসাঁটো করা হোক জঙ্গি সন্ত্রাস বাড়বে কাশ্মীরে। আফগানিস্তানে তালিবানের ক্ষমতা দখলের পর কাশ্মীরের যুবদের একাংশ নতুন করে সশস্ত্র জঙ্গি কার্যকলাপে উৎসাহী হয়েছে বলে গোয়েন্দা রিপোর্টে উঠে এসেছে। সেখানে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণ রেখায় জঙ্গিদের লঞ্চিং প্যাডে নতুন করে সক্রিয়তাও দেখা গেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের একটি সূত্রের খবর, এই মুহূর্তে অন্তত ৩০৯ জঙ্গি বিভিন্ন লঞ্চিং প্যাডে ভারতে ঢোকার অপেক্ষায় রয়েছে।

