অশোক সেনগুপ্ত
আমাদের ভারত, ৯ ফেব্রুয়ারি: “তিন দশক যাবত চলে আসা একটি সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব নিয়মে নিজস্ব পোষাকবিধি লঙ্ঘন করা কখনও সাংবিধানিক অধিকার হতে পারে না।“ স্পষ্ট দাবি করলেন জাতীয়তাবাদী অধ্যাপক ও গবেষক সংঘের রাজ্য কার্যনির্বাহী কমিটির প্রাক্তন সদস্য ডঃ রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়।
রঞ্জনবাবুর মতে, কোনও ব্যক্তি তাঁর ধর্মীয় অধিকার অনুযায়ী গোঁফহীন দাড়ি রাখতেই পারেন। ভারতীয় সংবিধান তাঁকে সেই অধিকার দিয়েছে। কিন্তু সামরিক বাহিনীর প্রশিক্ষণের সময় বাহিনীর নিয়মানুযায়ী তাকে রোজ দাড়ি কামাতেই হবে। সংবিধান শুধুমাত্র শিখ ধর্মাবলম্বীদেরই দাড়ি বজায় রাখার অধিকার দিয়েছে।
তেমনই একজন নিজস্ব পরিমণ্ডলে হিজাব, ঘোমটা বা হেলমেট পরতেই পারেন। কিন্তু সরকারি নিয়ম তাঁকে মানতেই হবে। যে বা যাঁরা এর বিরোধিতা করছেন, তাঁদের পূর্বসূরিরা এই রাজ্যের চাকদহ কলেজে বা আশুতোষ কলেজে শালোয়ার কামিজের উপর ফতোয়া জারি করেছিল। তা কিন্তু ইতিমধ্যে ইতিহাসে লিখিত হয়ে গেছে। সরকারি নিয়ম না মেনে রাস্তা বন্ধ করে প্রার্থনা করা বা শব্দবিধি না মেনে লাউডস্পিকারে প্রার্থনায় আহ্বান করা প্রভৃতি আর যাই হোক, সংবিধানসম্মত হতে পারে না।

