বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে  ভারতীয় সেনাদের  অবদান উপলক্ষ্যে বিজয় দিবস পালিত হল বাগদার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে

সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা, ১৬ ডিসেম্বর: ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশেরউদ্যোগে বুধবার অর্থাৎ ১৬ ডিসেম্বর 
বিজয় দিবস পালন করা হল।দীর্ঘ ৯ মাসের লড়াইয়ের পর ১৯৭১ সালের আজকের 
দিনে ভারতীয় সেনাদের সহযোগিতায় বাংলাদেশে
মুক্তিযুদ্ধ বাহিনী জয়লাভ করেন। ১৬ ডিসেম্বর উত্তর ২৪ 
পরগনা জেলার বাগদা ব্লকের স্বলোক কুলানন্দপুর 
জিএসএফপি স্কুলের মাঠে  অনুষ্ঠানিক ভাবে বিএসএফ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ মিলিত হয়ে বীর শহিদদের
সন্মান জানায়।

এদিন বাংলদেশের প্রায় ছয় জনের বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ
আধিকারিক ভারত সীমান্তে আসেন। তাঁদের সন্মান জানান ভারতীয় জওয়ানরা। অনুষ্ঠানে মুখ্য অতিথি 
হিসাবে উপস্থিত ছিলেন
আইজি সাউথ বেঙ্গল 
ফ্রন্টিয়ার অশ্বিনী কুমার সিং ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের
কর্ণেল মহম্মদ সেলিম রেজা।
এদিন দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ
সম্পর্ক আরও মজবুত করার লক্ষ্যে ও বীর শহিদদের
সম্মান জানানোর জন্য ১০৭ নং ব্যাটেলিয়ানের এই উদ্যোগ। 

বিডিআর কর্ণেল মহম্মদ 
সেলিম রেজা বলেন,”ভারতীয় বাহিনী যদি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দীরা গান্ধীর নির্দেশে 
সহোযোগিতার হাত বাড়িয়ে না দিত তাহলে মুক্তি বাহিনীরপক্ষে এই মুক্তি লড়াই অনেক কঠিন হয়ে যেত।ভারতীয় বাহিনীর এই অবদান বাংলাদেশবাসী 
আজীবন স্মরনে রাখবে”। 

আই জি অশ্বিনী কুমার সিং স্মৃতিচারণ করে বলেন, “বয়রা এর উপর প্রথম এয়ার স্ট্রাইক হয় পাকিস্তানের তরফ থেকে সেখান থেকেই যুদ্ধের সূত্রপাত আরও 
জোরদার হয়”। দীলিপ সিং রায় নামে এক
প্রত্যক্ষদর্শী তার অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করতে গিয়ে 
যুদ্ধের ভয়াবহতার কথা তুলে ধরেন।তিনি তাঁর কিছু অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে বলেন, 
আমি সে সময় ১৭ বছরের একজন কিশোর তবে 
ভারতীয় বাহিনীর কাজে উদ্বুদ্ধ হয়ে আমি নিজেই
তাদের সাহায্য করতে এগিয়ে যাই এবং বাংলাদেশী
মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে গোলা বারুদ পৌছে দিই।                       
 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *