পার্থ খাঁড়া, আমাদের ভারত, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২২ এপ্রিল: মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সুজয় হাজরা বলেন, “আগামী দু’মাস আমাদের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সাড়ে তিন হাজার কিলোমিটার রাস্তা অতিক্রম করবেন। একইসঙ্গে ২৫০-এর বেশি জনসভা করবেন। আর এই দুই মাসে তিনি তৃণমূল স্তরের রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মীদের সাথে আলোচনা করে পরামর্শ নিয়ে তৃণমূলে নব জোয়ার কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে আগামী পঞ্চায়েতের স্বচ্ছ ভাবমূর্তির প্রার্থী চয়ন করবেন।”
তিনি তাঁর বক্তব্যে আরো বলেন যে, “স্বাধীনতার পর থেকে ভারতবর্ষের বুকে এই রকম রাজনৈতিক কর্মসূচি আর দেখা যায়নি। প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দল পালাবদল ও পরিবর্তনের কথা বলে কিন্তু সামাজিক পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে তৃণমূলস্তরের কর্মীদের কথাকে প্রাধান্য দিয়ে কোনো রাজনৈতিক দল প্রার্থী চয়ন করে না। এই অভিনব কর্মসূচি ভারতবর্ষের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিপ্লব আনতে চলেছে। একটা প্রবাদ রয়েছে, “What Bengal Thinks Today, India Thinks Tommorow” আমি নিশ্চিত আমাদের সাধারণ সম্পাদকের এই উদ্যোগ ভারতবর্ষের অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলিও গ্রহণ করবে। সাথে আমি আশা রাখবো বাংলার মানুষের দোয়া ও আশীর্বাদ এই কর্মসূচিকে সাফল্যমন্ডিত করে তুলবে।”
মেদিনীপুরের বিধায়ক জুন মালিয়া বলেছেন, “আগামী মঙ্গলবার অর্থাৎ ২৫ তারিখ থেকে শুরু হবে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূলের নব জোয়ারের জনসংযোগ যাত্রা। এই যাত্রা আমাদের কোচবিহার থেকে শুরু হয়ে ২মাস ধরে সারা রাজ্য জুড়ে চলবে। বাংলার জনগণ বেছে নেবে পঞ্চায়েতে তাদের প্রতিনিধি।”

নারায়ণগড়ের বিধায়ক সূর্যকান্ত অট্ট বলেছেন, “তৃণমূলে এলো নব জোয়ার। প্রচারকার্য শুরু করেছেন সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী ২ মাস ধরে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি জেলা ও ব্লক তিনি পরিক্রমা করবেন। পাশাপাশি দলীয় কর্মীদের সাথে আলোচনা এবং গ্রামের মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন। আগামী ত্রি-স্তরীয় পঞ্চায়েত ব্যবস্থাকে মাথায় রেখে যারা সাধারণ মানুষের পাশে থাকবে সবসময় এমন প্রার্থীদের চয়ন করা হবে।”
বিধায়ক অট্ট বলেন, “আমি মনে করি সারা ভারতবর্ষে এইরকম ঐতিহাসিক ও সাহসী সিদ্ধান্ত কোনো রাজনৈতিক দল গ্রহণ করতে পারিনি যা তৃণমূল কংগ্রেস গ্রহণ করতে চলেছে। সারা বিশ্বের কাছে পশ্চিমবঙ্গ উন্নয়নের নিরিখে স্বীকৃতি অর্জন করতে পেরেছে। যেখানে একটা সময়ে সারা বাংলা জুড়ে চলতো পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ, কিন্তু আজ পশ্চিমবঙ্গে গণতান্ত্রিক উপায়ে সকলের জন্য উন্নয়নের কাজ এগিয়ে চলেছে। ইতিমধ্যে দুয়ারে সরকারের মাধ্যমে ৮ কোটি মানুষকে প্রকল্পের সুবিধা তুলে দেওয়া হয়েছে। আমি মনে করি তৃণমূলস্তর থেকে সাধারণ মানুষের হয়ে কাজ করার যে আনন্দ তার কোনো তুলনা হয় না।”


ব্যারাকপুর-১ কাউগাছি-১ গ্রাম পঞ্চায়েত থানা বাসুদেব পুর পিন -৭৪৩১২৭ জগরদ্দল-১০৬ বিধানসভা
এখানে যে টিকিট এর যোগ্য পঞ্চায়েত মেম্বার হবার যোগ্য তাঁদের টিকিট দেওয়া হয় নিয়, যারা টিকিট এর যোগ্য না তাঁরা টিকিট পারছেন, ১৫তারিখ লাস্ট ডেট জমা করা, কিণ্তুক ১৩তারিখ রাতে ঘোষণা হয়ে যায় এখানে কে টিকিট পারছেন, যারা ৪পাশ ৫পাশ তাঁরা টিকিট পারছে এবং ৫০বছর এর উপরে বয়স তাঁরা পারছেন, আর যারা ১২পাশ ৩০মর্ধে বয়েস তাঁরা পারছেন না, আমরা সকল গ্রাম বাসী মানতে পারছিনা আমাদের এখানে যাকে টিকিট দেওয়া হয়েছে, ৭২নাম্বার বুথ, 🙏