পুজোর পরেই শিলিগুড়িতে পুরনিগম ও মহকুমা পরিষদ নির্বাচন হওয়ার সম্ভবনা, দুটোই দখল করতে মরিয়া তৃণমূল কংগ্রেস

আমাদের ভারত, শিলিগুড়ি, ২৬ সেপ্টেম্বর: পুজোর পরেই শিলিগুড়িতে পুরনিগম ও মহকুমা পরিষদ নির্বাচন হওয়ার প্রবল সম্ভবনা রয়েছে। আর এবার এই দুটোই দখল করতে মরিয়া তৃণমূল কংগ্রেস। কারণ ২০১১ থেকে রাজ্যে তারা ক্ষমতায় থাকলেও শিলিগুড়ি পুরনিগম ও মহকুমা পরিষদ বামেদের দখলেই রয়েছে। কিন্তু এবছর বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে বামেরা শূন্যতে চলে গিয়েছে। আর তাই তৃণমূলের প্রধান বিরোধী বিজেপি। এবার তাই বিজেপির ঘর ভাঙা শুরু করল তারা।বতাই রবিবার মাটিগাড়ার পাথরঘাটাতে যোগদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দলের জেলা সভানেত্রী পাপিয়া ঘোষ সহ গৌতম দেব ও রঞ্জন সরকার। সেখানেই তাদের হাত থেকে পতাকা নিয়েই দলে যোগ দিলেন বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য দিলা শৈব্য সহ পাথরঘাটা অঞ্চলের ৩০জন বুথ সভাপতি। এছাড়া পাথরঘাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের দুই পঞ্চায়েত সদস্য ভগবান মুন্ডা ও অঞ্জলি বর্মণ।

এ প্রসঙ্গে তৃণমূলের সভানেত্রী পাপিয়া ঘোষ বলেন, নিঃস্বার্থভাবেই এদিন প্রায় ৬০০ জন আমাদের দলে যোগদান করেছে। তারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নীতি আদর্শ দেখেই দলে এসেছে। দিলা শৈব্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ নেতা তাকে ভবিষ্যতে নিশ্চয়ই কাজে লাগানো হবে। আগামীতে আরও অনেকে আমাদের দলে যোগ দেবেন।
   
বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট না পেয়েই এই সিদ্ধান্ত নিলেন দিলা শৈব্য। তাঁর বক্তব্য, বাম আমল থেকে আমরা বিজেপি করছি। মারধর পর্যন্ত খেয়েছি আমরাই। অথচ নির্বাচনের সময় আমাদের টিকিট দেওয়া হল না। আসলে বিজেপি দলটা এখন আরএসএস চালায়। আমরা এর বিরুদ্ধে, আরএসএসের নীতি আমরা মানতে পারব না। তাই আমি ২৪ বছর বিজেপি করার পর দল পরিবর্তন করলাম। কারণ বাংলায় এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই মানুষ চায়। যদিও এই যোগদানকে গুরুত্ব দিতে নারাজ জেলা বিজেপি।

দলের জেলা সাধারণ সম্পাদক রাজু সাহা বলেন, দিলা শৈব্য নির্বাচনের আগে থেকেই দল বিরোধী কার্যকলাপের সাথে যুক্ত ছিলেন। তাদের কোনও কর্মসূচিতে ডাকা হতো না। তাই তারা যাওয়ায় দলের কোনও ক্ষতি হবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *