আমাদের ভারত, পূর্ব মেদিনীপুর, ৩০ মার্চ: ভোটের প্রচার শেষ হল আজ সন্ধ্যেয়। সারাদিন ধরে পূর্ব মেদিনীপুরের সাতটি বিধানসভার প্রত্যেকটিতেই কোনও না কোনও হেভিওয়েট নেতা নেত্রী প্রচার করেছেন বিভিন্ন দলের হয়ে। বিজেপির হয়ে জেলায় প্রচারে এসেছিলেন অমিত শাহ, মিঠুন চক্রবর্তী ও দিলীপ ঘোষ। শুভেন্দু অধিকারী সারাদিনই নন্দীগ্রামে প্রচারে ছিলেন ব্যস্ত।
অন্যদিকে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সারাদিন তাঁর নিজের কেন্দ্র নন্দীগ্রামে বিভিন্ন সভা ও রোড শো করেছেন। এছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় চিত্রতারকারাই মূলত রোড শো করেছেন তৃণমূলের হয়ে। এছাড়াও সংযুক্ত মোর্চা সহ অন্যান্য দল গুলি বিভিন্ন কেন্দ্রে নিজেদের মতো করে প্রচার সেরেছেন।

এখন অপেক্ষা শুধু ভোটের। নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে ভোটের সমস্ত ব্যবস্থা পাকা। আগামীকাল সকাল থেকেই ভোটকেন্দ্রে রওনা হবেন কেন্দ্রীয় বাহিনী সহ ভোট নেওয়ার আধিকারিক ও কর্মীরা। সমস্ত ব্যবস্থা পাকা হয়ে গিয়েছে। ৮০ বছরের ঊর্ধ্বে বহু মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট নেওয়া হয়ে গিয়েছে এই বিধানসভা গুলিতে।
দ্বিতীয় দফার ভোটে পূর্ব মেদিনীপুরের ন’টি বিধানসভায় ভোট গ্রহণ হবে। তার মধ্যে অন্যতম নন্দীগ্রাম বিধানসভা। যেখানে প্রার্থী হয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর বিপরীতে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। বাম সংযুক্ত মোর্চার প্রার্থী হয়েছেন মীনাক্ষী মুখার্জি সব মিলিয়ে সবার নজর এই কেন্দ্রের দিকে। নন্দীগ্রাম ছাড়া বাকি কেন্দ্রগুলি হল চন্ডিপুর, হলদিয়া, মহিষাদল, নন্দকুমার, তমলুক, ময়না, পাঁশকুড়া পূর্ব ও পাঁশকুড়া পশ্চিম। এই জেলার ন’টি বিধানসভার মোট ৩২১০টি বুথে ভোটগ্রহণ হবে। এই বুথ গুলির মধ্যে আবার ৫০৪টি বুথ মহিলা পরিচালিত হবে। এই বুথ গুলিতে প্রায় ২২ লক্ষ ভোটার তাদের মত জানাবেন এবং তার ওপরই নির্ভর করবে প্রার্থীদের ভাগ্য। এখন অপেক্ষা শুধু ভোটের। সবারই একটাই দাবি ভোট হোক শান্তিপূর্ণ।


