আমাদের ভারত, ব্যারাকপুর, ২০ জানুয়ারি: “পুলিশ প্রশাসনকে এই রাজ্যের সরকার পঙ্গু বানিয়ে রেখে দিয়েছে। “বিলকান্দাতে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত চিকিৎসকের বাড়িতে দেখা করতে এসে রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা প্রসঙ্গে এই ভাষাতে কটাক্ষ করলেন ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং।
গত ১৫ জানুয়ারি বিলকান্দার বোর্ডঘর অঞ্চলের বাসিন্দা পেশায় চিকিৎসক আশুতোষ কীর্তনীয়ার বাড়িতে বোমা ছোড়ার অভিযোগ ওঠে স্থানীয় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, বেশ কিছু দিন ধরেই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম ওই অঞ্চলে বেড়ে গেছে। তারা নিত্যদিন ওই অঞ্চলে মধু চক্র সহ বিভিন্ন অসামাজিক কাজ কর্ম চালায় আর আশুতোষ বাবু তার প্রতিবাদ করায় তার বাড়ি লক্ষ্য করে বোমা ছোড়ে দুষ্কৃতীরা এমনটাই অভিযোগ ডাক্তার বাবুর।
বৃহস্পতিবার সেই আক্রান্ত চিকিৎসকের বাড়িতে দেখা করতে যান ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং। এদিন ওই আক্রান্ত পরিবারের সাথে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন তিনি।
এরপর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে অর্জুন সিং জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে রাজ্যে কোন মানুষ সুরক্ষিত নেই। আসলে তৃণমূল দলটা চলে গেছে সমাজবিরোধীদের হাতে।সব থেকে বড় কথা সাধারণ মানুষ যেখানে সব থেকে বেশি ভরসা পায় সেই প্রশাসনকেও পঙ্গু বানিয়ে রেখেছে।ওদের ইচ্ছা থাকলেও কিছু কাজ করতে পারছে না। আর সিভিক পুলিশদের মাইনা কমিয়ে দিয়েছে তাই ওরা এরপর প্রকাশ্যে চুরি ছিনতাই করবে চিন্তা নেই। যেখানে নবান্নতে ডিভাইস মিলছে সেখানে কেউ সুরক্ষিত না। শুধু দুর্নীতি আছে এই রাজ্যে।”
এই প্রসঙ্গে স্থানীয় তৃণমূল নেতা সজল দাস বলেন, যেদিন ঘটনাটি ঘটে সেদিন তারাই এগিয়ে গিয়ে চিকিৎসক পরিবারের সদস্যদের নিয়ে থানায় অভিযোগ জানায়। আর আজ অর্জুন সিং এসে বলছেন সমাজবিরোধী! ওনার বোঝা উচিত ভাটপাড়া আর খরদা বিধানসভা এক নয়।

