আমাদের ভারত, ব্যারাকপুর, ১২ মার্চ: করোনা প্রতিষেধক টীকা দিতে এসে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সি। তিনি বলেন, “উনি নন্দীগ্রামে গিয়ে বুঝে গিয়েছেন জিতবেন না। কিছু মানুষ উনার সঙ্গে তো সব সময় থাকে, তবে নন্দীগ্রামের বাসিন্দারা কেউ উনার সঙ্গে নেই। নন্দীগ্রামে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে আঘাত পাওয়ার ঘটনা আসলে তৃণমূল নেত্রীর রাজনৈতিক গিমিক, মানুষের সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা। তবে বাংলার মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গিমিক ধরে ফেলেছে। এটা নাটক ছিল উনার। আজ ব্যারাকপুর বিএন বসু মহকুমা হাসপাতালে করোনা টিকা নেওয়ার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে একথা বলেন ব্যারাকপুরের সাংসদ।
আর্জুন সিং বলেন, আমি উনার সঙ্গে ঘর করেছি অনেকদিন। আমি জানি, ক্ষমতায় থাকার জন্য উনি সব কিছু করতে পারেন। আজ তৃণমূল নির্বাচন কমিশনে গিয়েছিল ঠিকই তবে কমিশন নিশ্চই জবাব দিয়ে দিয়েছে। এর আগেও কোলাঘাটে এক ট্রাক ড্রাইভারকে ফাঁসিয়ে দিয়েছিলেন।”
বিনয় মিশ্র প্রসংগে তিনি বলেন, “সেন্ট্রাল এজেন্সি যা তদন্ত করছে,তা আদালতের নির্দেশ মেনেই করছে। ভাইপোর শ্বশুরকেও সিবিআই জেরা করবে। নিশ্চই কোনও কারন আছে, সেই জন্য সিবিআই যাচ্ছে।”
দমদম কেন্দ্রের তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় প্রসংগে অর্জুন সিং বলেন, “উনাকে ২৫ হাজার টাকার জন্য কেউ যদি ফোন করেন, উনি কলকাতায় থাকলে সেখান থেকে টাকা নিতে চলে আসবে। তাই উনার সম্পর্কে কি বলব?”
আজ ব্যারাকপুর বি এন বসু মহকুমা হাসপাতালে এসে নির্দিষ্ট পরিচয় পত্র দেখিয়ে কো–ভ্যাকসিন করোনা টীকা নেন ব্যারাকপুরের সাংসদ। প্রায় ৩০ মিনিট ব্যারাকপুর বি এন বসু মহকুমা হাসপাতালের চিকিৎসকরা তাকে পর্যবেক্ষণে রেখে ছেড়ে দেন। সাংসদ করোনা টিকার প্রথম ডোজটি এদিন নিলেন। চিকিৎসকরা তাঁকে জানিয়েছেন, আগামী ২৮ দিন পর দ্বিতীয় ডোজ নিতে হবে। ব্যারাকপুর বি এন বসু মহকুমা হাসপাতালের সুপার সুদীপ্ত ভট্টাচার্য্য বলেন, “করোনা ভ্যাকসিনের প্রয়োগের পর সাংসদ সুস্থ আছেন, তাঁর কোনও শারীরিক সমস্যা নেই।”

