পার্থ খাঁড়া, আমাদের ভারত, পশ্চিম মেদিনীপুর, ৩০ অক্টোবর: উৎসবের আবহে নতুন উদ্দীপনা নিয়ে মেদিনীপুর শহরের কেরানীতলার চকে সূচনা হলো অষ্টম বর্ষের জগদ্ধাত্রী পুজোর প্রস্তুতি। হিন্দু যুব বাহিনীর উদ্যোগে আজ সন্ধ্যায় সাড়ম্বরে অনুষ্ঠিত হলো জগদ্ধাত্রী পুজোর খুঁটিপুজো ও এবারের পুজোর থিম ভাবনার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন। এবছর পুজো মণ্ডপের বিশেষ আকর্ষণ হতে চলেছে ‘দিব্যলোক’ থিম।
আয়োজকদের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শুরু হলো আগামী জগদ্ধাত্রী পুজোকে কেন্দ্র করে নানা পরিকল্পনা ও প্রস্তুতির পর্ব। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষকে একত্রিত করা এবং ধর্মীয় ভাবধারা, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির মেলবন্ধনের মাধ্যমে সামাজিক ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া। সেই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখেই বিগত সাত বছরের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এ বছর অষ্টম বর্ষে পদার্পণ করতে চলেছে এই জগদ্ধাত্রী পুজো।

এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক শঙ্কর গুছাইত, অমল পান্ডা, বিশিষ্ট সমাজসেবী সৌমেন তিওয়ারি, আশীর্বাদ ভৌমিক, হিন্দু যুব বাহিনীর সভাপতি অভিষেক বোস সহ এলাকার অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও উদ্যোক্তারা। তাঁদের উপস্থিতিতে ধর্মীয় আচার- অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে খুঁটিপুজোর শুভ সূচনা করা হয়। পাশাপাশি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ্যে আনা হয় এবারের পুজোর থিম ভাবনা ‘দিব্যলোক’।
এবারের থিম ‘দিব্যলোক’-এর মধ্যে দিয়ে এক বিশেষ আধ্যাত্মিক ও ধর্মীয় আবহ তুলে ধরার পরিকল্পনা করেছেন উদ্যোক্তারা। দেবী জগদ্ধাত্রীর আরাধনাকে কেন্দ্র করে ভক্তি, বিশ্বাস ও সনাতনী সংস্কৃতির ভাবধারাকে সাধারণ মানুষের সামনে উপস্থাপন করাই এই থিমের অন্যতম উদ্দেশ্য বলে জানা গিয়েছে।
আট বছরে পদার্পণের এই বিশেষ মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে উদ্যোক্তাদের মধ্যে ইতিমধ্যেই উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। খুঁটিপুজোর মাধ্যমে পুজোর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হওয়ায় আগামী দিনের প্রস্তুতিও আরও গতি পাবে বলে আশা উদ্যোক্তাদের।
সব মিলিয়ে, মেদিনীপুর শহরের কেরানীতলার চকে হিন্দু যুব বাহিনীর উদ্যোগে অষ্টম বর্ষের জগদ্ধাত্রী পুজোকে ঘিরে তৈরি হয়েছে উৎসবের আবহ। এবারের ‘দিব্যলোক’ থিম কতটা আকর্ষণীয়ভাবে ফুটে ওঠে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন শহরবাসী ও পুজোপ্রেমীরা।

