বাড়িতে নিভৃতবাসে থাকার ১১ দফা সূত্র জানাল স্বাস্থ্যমন্ত্রক

আমাদের ভারত, ৫ জানুয়ারি: সংক্রমণের আশঙ্কা ঠেকাতে বাড়িতে নিভৃতাবাসকালে ১১ দফা সতর্কতার সূত্র জানাল স্বাস্থ্যমন্ত্রক।
১। করোনা আক্রান্তকে পরিবারের অন্য সদস্যদের থেকে পৃথক ভাবে নিভৃতবাস পালন করতে হবে। থাকতে হবে একটি নির্দিষ্ট কক্ষে। বিশেষত বয়স্কদের থেকে ও উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা, কিডনির অসুখ, হার্টের সমস্যা প্রভৃতি কো-মর্বিডিটি রয়েছে এমন পরিজনদের থেকে থাকতে হবে দূরে।

২। যে ঘরে রোগী থাকবেন, সেটি যথেষ্ট আলো বাতাস চলাচলের সুযোগ থাকতে হবে। খোলা রাখতে হবে জানালা।
৩। রোগীকে সর্বক্ষণ ত্রিস্তরীয় মাস্ক পরতে হবে। আট ঘণ্টা অন্তর বা মাস্ক ভিজে গেলে সেটি বদলে ফেলতে হবে। অন্য কেউ ঘরে প্রবেশ করলে পড়তে হবে এন ৯৫ মাস্ক।
৪। ব্যবহৃত মাস্ক ফেলার আগে সেটিকে দু’টুকরো করে কোনও একটি আবর্জনার ব্যাগে রাখতে হবে ন্যূনতম ৭২ ঘণ্টা।
৫। রোগীকে অবশ্যই পর্যাপ্ত পরিমাণে জলপান বা ফলের রস বা অন্য স্যুপ, চা জাতীয় পানীয় পান করতে হবে।
৬। শ্বাস প্রশ্বাসের ক্ষেত্রে সব প্রয়োজনীয় নিয়ম পালন করতে হবে।
৭। অন্তত ৪০ সেকেন্ড ধরে সাবান বা অ্যালকোহল যুক্ত হাতশুদ্ধি দিয়ে হাত ধুয়ে নিতে হবে।
৮। করোনা আক্রান্তের ব্যবহৃত বাসন অন্য কারও ব্যবহার করা চলবে না।
৯। যে ঘরে আক্রান্ত থাকবেন সেই ঘরের যে যে জিনিসপত্রে সচরাচর হাত পড়ে সেগুলিকে নিয়মিত সাবান জল বা জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে।
১০। রক্তের অক্সিজেনের পরিমাণ মাপতে হবে পালস অক্সিমিটার ব্যবহার করে।
১১। প্রতিনিয়ত মাপতে হবে দেহের তাপমাত্রা। ৩ দিনের বেশি ১০০ ডিগ্রি তাপমাত্রার জ্বর থাকলে, রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ বা ‘এসপিওটু’ ৯৩ শতাংশের কম হয়ে গেলে, বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, ক্লান্তি কিংবা মানসিক সমস্যা দেখা দিলে যত দ্রুত সম্ভব যোগাযোগ করতে হবে চিকিৎসকের সঙ্গে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *