আমাদের ভারত, কলকাতা, ৬ ফেব্রুয়ারি : সাবধানে প্রার্থী নির্বাচন করার ব্যাপারে বিজেপি-কে ফের সতর্ক করলেন প্রাক্তন রাজ্যপাল তথা পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি-র প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথাগত রায়।
টুইটারে তিনি লিখেছেন, “২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে প্রবল বিজেপি হাওয়া সত্ত্বেও বিজেপি হারল। তার কারণ বিজেপির স্থানীয় সর্বাধিনায়ক অভিনেত্রীদের নিয়ে লুটোপুটি খাচ্ছিল, আর তার প্রধান ধামাধরা “মেরে দেব, পুঁতে দেব, মৃতদেহের লাইন লাগিয়ে দেব” বলে বক্তৃতা করে বেড়াচ্ছিল। তারপর যেখানে বলা হচ্ছিল, “উনিশে হাফ একুশে সাফ”, সেখানে মাত্র ৭৭টা (এখন ৬৯টা) আসন পাওয়া গেল তখন পুঁতে দেবার মাস্টার বলে বেড়াতে লাগল, “তিনের থেকে সাতাত্তর করেছি, নাকের বদল নরুন পেলাম, টাক ডুমাডুম ডুম”!
অপর টুইটারে লিখেছেন, “এবার পঞ্চায়েত নির্বাচন বিজেপির অগ্নিপরীক্ষা। সাবধানে প্রার্থী নির্বাচন করতে হবে, বিজেপির নীতিতে যাঁরা আন্তরিক আস্থা রাখেন তাঁদেরই অগ্রাধিকার দিতে হবে। সুমন কাঞ্জিলালের দলত্যাগ থেকে দল যেন শিক্ষা নেয়। নীতি-আদর্শকে জলাঞ্জলি দিয়ে অর্ধশিক্ষিত নির্বোধ অথবা তৃণমূল-সিপিএম থেকে আসা ধান্দাবাজ লোকেদের উপর পার্টি চালাবার দায়িত্ব দিলে পশ্চিমবঙ্গ থেকে পার্টি মুছে যাবে।“
প্রতিক্রিয়ায় নেটনাগরিকদের অনেকে মন্তব্য করেছেন। দেবদুলাল ব্যানার্জি লিখেছেন, “আপনি সম্মানিত ও শিক্ষিত। তবু বলি যতটুকু হয়েছিল দিলীপ ঘোষ এর জন্য আর আজকের অবস্থার জন্য দায়ী দুই অমিত ও নাকি সুরে দিদি ও দিদি গান। এখন পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি সেই ইন্দিরা ও জ্যোতির গোপন প্রেম এর কথা মনে পড়িয়ে দেয়। বাঙালির দরকার নিজস্ব দল, বড়বাজারের দল নয়।“
স্বপন চক্রবর্তী লিখেছেন, “আপনার বক্তব্যর প্রতি আমার পূর্ণ সমর্থন রেখেই বলছি যে, নিজেদের অর্থাৎ দলের হিন্দুত্ব এজেন্ডা পশ্চিমবাংলায় বিস্তার লাভ করাতে হলে প্রথমে রাজ্যের ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হতে হবে। বাংলায় ক্ষমতা দখল করতে হলে সাময়িক কিছু কিছু বিষয়ে সমঝোতা করতে হবে। একটু ধৈর্য্য ধরতে হবে সব বিষয়েই।”
বিবেক রায়চৌধুরী লিখেছেন, “বিয়ে দেওয়ার আগে পাত্রপাত্রীর বাবামা বা পরিবারকে যেমন দেখতে হয় তেমনি ভোটে দাড় করানোর আগেও তাদের বাবামা ও পরিবারকে দেখা হোক। কারন চোর ছ্যাচরদের ছেলেমেয়েরা তাদের জাত একবার চেনাবেই…..বুঝে নিন। ”
অনন্ত সেন লিখেছেন, “মাননীয় তথাগত রায় মহাশয়, আপনি যা বলেছেন সেটা হচ্ছে দলের ক্ষমতা লাভের আগের পর্ব। এখন দল ক্ষমতায় আছে, আর ক্ষমতায় থাকলেই কিছু না কিছু বিরোধীতা থাকবেই। যত শক্তিশালী দল–ই হোক না কেন তাকে টিকে থাকতে হলে সমঝোতার রাস্তায় হাঁটতে হবে। এখন দল ক্ষমতার চিটেগুড়ে আটকে আছে।“ সোমনাথ গুপ্ত লিখেছেন, “যেখানে আপনাদের বিরোধী দলনেতা তৃণমূল থেকে লিজে নেওয়া, সেখানে এসব কথা বলা কি যুক্তিযুক্ত?”


তথাগত রয় যা বলেছেন আমি সহমত কিন্তু বিষয়টা হচ্ছে, যারা দীর্ঘ দিন বিজেপি কে এক শক্তি সালি ভীত বানালো ,তাদের কে দল সন্মান দেয়নি অপমান করেছে পদ থেকে সরিয়ে, TMC r হাতে পার্টি বিক্রি করেদিয়ছে,, ভন্ড নেতারা তারা জানে পুরোনো কর্মী থাকলে খেতে পারবোনা,,সব কামিনী কাঞ্চন দের সামনের সারিতে রেখেছে,বাংলার মানুষ জার বিরুদ্ধে লড়াই করেছে,সেই চোরের দল কে বিজেপি সামনের সারিতে পদ দিয়ে রেখেছে, তো মানুষ ভেবে দেখলো জে লাউ সেই কদু আদি কর্মীদের সন্মান দেয়নি তো বাঙাল সাধারণ মানুষ কে কি দেবে তাই মানুষ সরে গেছে বিজেপি থেকে