আমাদের ভারত, ১ জুলাই: সোমবার ‘হোলি আর্টিজান’ দিবস স্মরণ করলেন নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন।
সামাজিক মাধ্যমে তিনি লিখেছেন, “আজ হোলি আর্টিজান দিবস। ২০১৬ সালের ১ জুলাই তারিখে দেশি- বিদেশি ২২ জনকে নৃশংসভাবে খুন করেছিল কলেজ- বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া কয়েকজন ছাত্র, যারা বিশ্বাস করতো জি-হা-দে, বিশ্বাস করতো কোরানের প্রতিটি অক্ষরে এবং আল্লাহর প্রতিটি আদেশে। সে কারণে তারা হোলি আর্টিজান ক্যাফেতে বসা বিধর্মীদের কণ্ঠদেশ কেটেছিল ধারালো ছুরিতে, শুধু তাই নয়, সেই মুসলমানদেরও কণ্ঠদেশ কেটেছিল যারা কোরানের আয়াত মুখস্ত বলতে পারেনি।
এই হত্যাকাণ্ডের বা এই পূণ্যকর্মের পুরস্কার তারা বিশ্বাস করতো, তারা পাবে, তারা শর্টকাটে কোনও বিচার ছাড়াই বেহেস্তে যাবে এবং ৭২টি সুন্দরী হুরের সঙ্গে অনন্তকাল যৌনসঙ্গমে লিপ্ত থাকবে।”
ঢাকার গুলশানে হোলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গিদের হামলা ও নৃশংস হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় করা মামলায় হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় এখনো প্রকাশিত হয়নি। সরকারপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা বলছেন, হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় পাওয়ার পর তা পর্যালোচনা করে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ায় আপিল করার সুযোগ রয়েছে।
আট মাস আগে গত বছরের ৩০ অক্টোবর এ মামলায় রায় ঘোষণা করে হাইকোর্ট। রায়ে সাত জঙ্গিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অবশ্য নিম্নআদালতের রায়ে সাত জঙ্গিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

