জলপাইগুড়ি পুরসভার চেয়ারম্যান পদের দাবিদার হিসেবে এগিয়ে ছিলেন তপন বন্দ্যোপাধ্যায়, পেলেন না কোনো পদ, যড়যন্ত্রের অভিযোগ

আমাদের ভারত, জলপাইগুড়ি, ৩০ মে: জলপাইগুড়ি পুরসভার চেয়ারম্যান পদের দাবিদার হিসেবে এগিয়ে ছিলেন ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তপন বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি তৃণমূলের টাউন ব্লকের সভাপতি পদে রয়েছেন। চেয়ারম্যান তো দূরের কথা, তপনবাবুর পুরসভার চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিলরের পদও জুটেনি। অভিমানে পুরসভার পূর্ণাঙ্গ পুর বোর্ডের শপথ গ্রহণের কর্মসূচি ও দলীয় কর্মসূচিতেও অংশ গ্রহণ করেননি তিনি। জেলা তৃণমূলের দাবি, রাজ্য তৃণমূলের নির্দেশে চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল তিনজনের নামের তালিকা ঘোষণা করা হয়েছে।

২০১৩ সালে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলের যোগ দিয়েছিলেন তপন বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি পাঁচ বার নির্বাচনে জয়ী হয়ে কাউন্সিলর হয়েছেন ১৫ নম্বর ওয়ার্ড থেকে। সাল গুলি হল ১৯৯০-৯৫ সাল, ১৯৯৫-২০০০ সাল। এরপর ২০০৫-২০১০ সাল ও ২০১০-২০১৫ সালে দু’বার কাউন্সিলর হয়েছিলেন। এরপর আসনটি মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত হওয়ায় ২০১৫ সালে নির্বাচিত হয়েছিলেন তপন বাবুর স্ত্রী সঙ্গিতা বন্দ্যোপাধায়। ২০২২ সালে আবার নতুন করে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে কাউন্সিলর হল তপন বাবু৷ ২০১৩-২০১৫ সাল পর্যন্ত ভাইস চেয়ারম্যান পদে ছিলেন। কাজের অভিজ্ঞতা থাকা সত্যেও তাকে চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল পদে রাখা হয়নি।

এ দিন নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তপন বাবু। তিনি বলেন, “এতদিন হয়ে দলের কাজ করছি। তবে চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল পদে না থাকায় কাজের উৎসাহ হারিয়ে গেল। সঠিক মূলায়ন হল না। ষড়যন্ত্র হয়েছে। যারা পুরসভাকে নিয়ে ব্যবসা করে সেই সব লোক লাভবান হচ্ছেন। রাজ্য থেকে এই নামের তালিকা পাঠানো হয়েছে কিনা সন্দেহ রয়েছে, কারণ দলের কোনো সিলমোহর নেই। দলের সুপ্রিমকে জানানো হবে।”

যদিও তৃণমূলের জেলা সভানেত্রী মহুয়া গোপ জানিয়েছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে পুরসভার চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল পদে তিনজনের নাম ঘোষণা করা হল। তপন বাবুর নাম নেই উনার খারাপ লেগেছে ঠিকই, উনার সঙ্গে কথা বলবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *