আমাদের ভারত, ৩১ জানুয়ারি: বেলডাঙায় অশান্তির ঘটনায় তদন্ত করবে এনআইএ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে এই খবর জানা গেছে। ঝাড়খন্ডে কাজ করতে গিয়ে এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু ঘিরে তীব্র ক্ষোভের আগুনে জ্বলে বেলডাঙা। কিন্তু অনেকেই দাবি করেছেন, উদ্দেশ্যে প্রণোদিত ভাবে এই অশান্তির পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছিল বেলডাঙায়। এই বিষয়টি খতিয়ে দেখতেই এনআইএ-কে তদন্তভার দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
গত কয়েকদিন আগে মুশিদাবাদের বেলডাঙ্গার এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুর খবর আসে। অশান্ত হয়ে উঠে এলাকা। এরপর দু’দিন ধরে অশান্তি হয় সেখানে, এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এবার এই ঘটনা তদন্তভার এনআইএ- কে দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।
ঝাড়খণ্ডে ফেরিওয়ালার কাজ করতে গিয়ে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গার সুজাপুরের কুমারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা আলাই শেখের মৃত্যু হয়। তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। বাঙালি বলেই তার উপর অকথ্য অত্যাচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের। মৃত শ্রমিকের দেহ নিয়ে মুর্শিদাবাদের জাতীয় সড়ক অবরোধ করে গ্রামবাসীরা। দীর্ঘক্ষণ অবরুদ্ধ থাকে ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক। একই সঙ্গে লালগোলা- শিয়ালদা শাখার ট্রেন অবরোধ করে বিক্ষোভে সামিল হন কয়েক হাজার মানুষ। এই ঘটনায় এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, আমরা সকলেই এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। সেদিন যেভাবে হিংসার ঘটনা ঘটেছিল তা থেকে স্পষ্ট এর পেছনে কোনো বড় চক্রান্ত ছিল। এনআইএ’র ক্ষমতা অনেক বেশি। আমি আশা করি তারা সঠিক তদন্ত করে লুকিয়ে থাকা সত্যটা প্রকাশ্যে আনতে পারবে।
বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আমি এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। বেলডাঙায় যা হয়েছে সেটা প্রতিবাদ নয়, দেশ বিরোধী আচরণ। পিএফআই আর সিমির মতো নিষিদ্ধ সংগঠন এই অশান্তির পেছনে আছে বলে দাবি করেছেন তিনি।

