আমাদের ভারত, ১৩ সেপ্টেম্বর: নবান্ন অভিযানকে প্রতিরোধ করতে প্রথম থেকেই তৎপর ছিল পুলিশ। সাঁতরাগাছি যাওয়ার আগেই আটক করা হয় শুভেন্দু, লকেট, রাহুল সিনহাকে। এদিকে হাওড়ায় সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বে মিছিল শুরু হবার পরেই ধুন্ধুমার পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অবস্থান বিক্ষোভে বসেন সুকান্ত। সেখান থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। থানায় গিয়ে তিনি বলেন, জরুরি অবস্থার মতো দমন পীড়ন চালিয়েছে পুলিশ।

সুকান্ত মজুমদারকে শিবপুর থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। সেখানে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আমাদের গণতান্ত্রিক শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে পুলিশ ও প্রশাসন নিষ্ঠুরতার সাথে দমন-পীড়ন করল, তা ভারতবর্ষের ইতিহাসে খুব কমই দেখা গেছে। এমন ভাবে ব্যারিকেড তৈরি করা হয়েছিল, যে ব্যারিকেড একসময় ইন্দিরা গান্ধী যখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন জরুরি অবস্থা জারি করেছিলেন সেই সময় ডঃ সিদ্ধার্থ শংকর রায় এইখানে করেছিলেন। এই ধরনের ব্যারিকেড তৈরি করা হয়েছিল আজ বিজেপিকে আটকাতে। তারপর জলকামান দেওয়া হয়েছে এবং আমাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”
This is how TMC govt is trying to control the people of Bengal at Hawrah station.
They are afraid of the people's anger against the corrupt and tyrannical rule now. #CholoNobanno pic.twitter.com/zG8xpmtT4D
— Dr. Sukanta Majumdar (@DrSukantaBJP) September 13, 2022
গ্রেফতার করে প্রিজন ভ্যানে তোলার সময় তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভয় পেয়েছেন তাই আজ পালিয়ে গেছেন। আজকের এই ভিড় মাত্র ৩০ শতাংশের ভিড়। বাকিদের কলকাতা পর্যন্ত পৌঁছতে দেওয়া হয়নি। পুলিশ বাধা দিয়েছে আসতে।

সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বে হাওড়া ময়দানের মিছিলে বেশ কয়েকজন জখম হয়েছে। মিছিলে উত্তেজনা শুরু হতেই সুকান্ত মজুমদার হেলমেট পরে প্রথমে পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে যান। কিন্তু বচসায় জড়িয়ে পড়েন। তিনি অভিযোগ করেন, জলকামানের জন্য বিদ্যুতের তারে শর্ট সার্কিট হয়। সুকান্ত মজুমদার অভিযোগ করেন, বোমা মারা হচ্ছে পুলিশের তরফে। এরপর বঙ্গবাসী মোড়ে অবস্থান বিক্ষোভে বসে পড়েন সুকান্ত মজুমদার, সেখানে বসে পরেন তিনি। পিসি চোর সবাই চোর বলে স্লোগান দিতে থাকেন তিনি।
Arresting me can't defy my spirit. Fight against TMC rule will continue…#CholoNobanno pic.twitter.com/1qGagriryD
— Dr. Sukanta Majumdar (@DrSukantaBJP) September 13, 2022
বঙ্গবাসী মোড়ে টানা জলকামান চালাতে থাকলে বিজেপি কর্মীরা আহত হন। এরপরই হাওড়া ব্রিজের মুখে বিজেপি কর্মীদের ঠেকাতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে পুলিশ। হাওড়া ব্রিজের সামনে অশান্তি বাধে বিজেপি কাউন্সিলর মীনা দেবী পুরোহিতের ওপর পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে বলে অভিযোগ। তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।


