আমাদের ভারত, ১৫ সেপ্টেম্বর: নবান্ন অভিযানের দিন যেভাবে পুলিশ অতি সক্রিয়তা দেখিয়ে বিজেপি কর্মীদের উপর দমন পীড়ন চালিয়েছে সেই সক্রিয়তা কেন ৯ জুন হাওড়ার অঙ্কুহাটির ঘটনায় দেখায়নি? সেদিন যখন জেহাদি দুষ্কৃতিরা তান্ডব করেছে তখন কেন পুলিশ স্তব্ধ ছিল? কার নির্দেশে পুলিশ পিছনে পালিয়ে গিয়েছিল। নবান্ন অভিযানে পুলিশের ভূমিকার সমালোচনা করতে গিয়ে হাওড়ার অঙ্কুরহাটির ঘটনা স্মরণ করালেন সুকান্ত মজুমদার।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, নবান্ন অভিযানে পুলিশ খুব শান্ত ছিল। তার উত্তরে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আমার জানা নেই এক লাখ টাকার চশমা দিয়ে তিনি এই ছবি দেখতে পাবেন কিনা।” একটি ছবি দেখিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, ছবিতে আমরা দেখতে পাচ্ছি পুলিশ ঢিল তুলে বিজেপির দিকে ছুড়ে মারছে। এক নিরস্ত্র বিজেপি কর্মীকে উস্কে দিচ্ছে।”
তাঁর অভিযোগ, আমাদের নিরস্ত্র বিজেপি সমর্থকদের উপর পুলিশ ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। একজন মহিলাকে যেভাবে পুরুষ পুলিশ দিয়ে নিগ্রহ করা হয়েছে তার নিন্দার ভাষা নেই”
তার অভিযোগ, ১৩ তারিখ থেকেই নানা ধরনের উস্কানি শুরু হয়েছিল। রেল স্টেশনে ঢুকে পুলিশ অগণতান্ত্রিকভাবে বিজেপির আন্দোলনকে দমন পীড়নের চেষ্টা চালিয়েছে। এক মহিলার ওপর পুলিশের অত্যাচারের ভিডিও তুলে ধরেন সুকান্ত মজুমদার। স্টেশনের ভেতরে পুলিশ ওই মহিলা বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মারধর করছে।
তিনি হাওড়ার অঙ্কুরহাটির ঘটনা মনে করিয়ে প্রশ্ন তোলেন, ৯ জুন ২০২২–এ জেহাদি-দূষ্কৃতিরা যখন পুলিশের দিকে ঢিল হাতে ছুটে ছুটে আসছিল তখন এই পুলিশ পিছনে পালিয়ে গিয়েছিল। সামনে এগোয়নি। কোনও লাঠিচার্জ করেনি। সেদিন পুলিশের কোনও জলকামানে জল ছিল না। সেদিন হয়তো পুলিশের ড্রাই-ডে ছিল। অঙ্কুরহাটিতে সেইদিন পুলিশের এই বীরত্ব ক্লিবত্বে পরিণত হয়েছিল।”
তার অভিযোগ,” বিজেপির মত রাষ্ট্রবাদী একটি শক্তির বিরুদ্ধে পুলিশ যেভাবে কাজ করেছে সেভাবে অঙ্কুরহাটিতে জিহাদিদের বিরুদ্ধে কেন করতে পারেন না? অক্ষমতাটা কোথায়? নার্ভের গন্ডগোল কোথায়?”
সুকান্ত বলেন, অঙ্কুরহাটিতে যারা ভাঙ্গচুর করেছিল তাদের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার কী ব্যবস্থা নিয়েছে? ৯ জুন ২০২২ অঙ্কুরহাটিতে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের লাঠি, জলকামান এগুলো কী নিলাম হয়ে গিয়েছিল? নাকি সেগুলোকে স্তব্ধ করে দেওয়া হয়েছিল? বিশেষ কোনো নির্দেশে ১৪ ঘন্টা জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ ছিল। কত মানুষ জল খেতে পায়নি। সেদিন রাস্তায় লক্ষ লক্ষ গাড়ি আটকে ছিল।”

