আমাদের ভারত, ২৯ মার্চ:নন্দীগ্রামের গণহত্যা নিয়ে অধিকারী পরিবারকে কাঠগড়ায় তুলেছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তা নিয়ে রাজ্য রাজনীতি তোলপাড় হয়েছে। আজ সেই অভিযোগ উড়িয়ে শুভেন্দু বললেন, ফরেব্বাজ মুখ্যমন্ত্রী। ওঁর নন্দী-মা বইটি পড়ুন তাহলেই ওর দ্বিচারিতাটা বুঝতে পারবেন।
১এপ্রিল নন্দীগ্রামে ভোট। তাই শেষ বেলার ভোট প্রচার এখন তুঙ্গে। একদিকে যেমন মমতা পরপর সভা ও রোড’শো করছেন। তেমনি সোমবার পাঁচটি পথসভা ও রোড’শো করেছেন শুভেন্দুও। আর সেই সভা থেকেই তৃণমূল নেত্রীকে তীব্র আক্রমণ করেছেন তিনি।
হুইলচেয়ারে করেও রোড শো এবং একের পর এক সভা করে জনসংযোগ সারছেন মমতা। শুভেন্দু বললেন, ওসব নাটক। সাংবাদিকরা এর পরেই মমতার অভিযোগ নিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসা করেন। তাতে শুভেন্দু সব নস্যাৎ করে দিয়ে বলেন, “উনি নিজে লিখেছেন না অন্য কাউকে দিয়ে লিখেছেন তা জানি না। তবে ওর নন্দী-মা বইটি উনি নিজেই পড়ুন। বইটিতো নিজের লেখা বলেই দাবি করেন। আমার বিশ্বাস উনি লেখেন না। অন্য কাউকে দিয়ে লিখিয়ে নিজের নামে প্রচার করেন। পুরোটাই তো মিথ্যে। ফরেব্বাজ মুখ্যমন্ত্রী। নন্দী-মা’টা পড়ুন তারপর ওর দ্বিচারিতা বুঝতে পারবেন। ওসব আর লোকে খাবে না। ওঁর কাছে লোকেরা চাকরি চেয়েছে, চাকরি নেই। শিল্প চাইছে শিল্প নেই।”
সোমবার নন্দীগ্রামে মমতা সরাসরি শুভেন্দুর দিকে অভিযোগের আঙুল তুলে বলেন, “ভোটের সময় তুই আমার পা জখম করেছিস। আমি চেপে গেছি ভদ্রতা করে। আজও আমায় পা ভাঙ্গা নিয়ে হুইল চেয়ারে বসে মিটিং করতে হচ্ছে। তোমার নির্দেশ ছাড়া এসব হতে পারে না।”
নন্দীগ্রামে তাঁকে ঢুকতে দেওয়া হতো না বলে সম্প্রতি একাধিক বার অভিযোগ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুভেন্দু এর পাল্টা দিয়ে বলেন, “যদি কেউ তাকে নাই ঢুকতে দেয়, তাহলে প্রতিবার ভোটের সময় উনি আসেন কিভাবে? ২০১১,২০১৬-র ভোটের আগেও তো উনি এসেছিলেন। আবার ২০২১ সালের ভোটের আগে এসেছেন। এবার এসে নিজে দাঁড়িয়েছেন।” অন্যদিকে নিমতা ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপি প্রার্থী বলেন, নিমতার ঘটনা একটি জাতীয় ইস্যু। এটি অমানবিক বর্বরোচিত ঘটনা। ৮৫ বছরের বৃদ্ধাকে যেভাবে মেরেছে বেগমের গুন্ডারা তাতে নিন্দার কোনো ভাষা নেই। উনি পুলিশ মন্ত্রী, নারী সুরক্ষার কথা বলেন, কিন্তু এক্ষেত্রে একজনকেও গ্রেপ্তার করা হয়নি।

