আমাদের ভারত, ২৭ জুলাই:
বেলঘরিয়া রথতলার আবাসনে অর্পিতা মুখোপাধ্যায় ফ্ল্যাটে এখনো পর্যন্ত ২০ কোটি টাকারও বেশি টাকা গোনা সম্ভব হয়েছে। সেখান থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর সোনার বাট, রুপোর কয়েন , অ্যান্টিক গয়না। টাকা গোনা শেষ হতে রাত পেরিয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
সন্ধ্যখ থেকে চারটি নোট গণক যন্ত্র নিয়ে টাকা গোনার কাজ শুরু হয়। সূত্রের খবর প্রথম রাউন্ড শেষে ১৫ কোটি টাকা গোনা সম্ভব হয়েছে। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই আরো পাঁচ কোটি গোনা হয় বলে খবর পাওয়া যায়। এর ফলে শেষ পাওয়া খবরে অনুযায়ী কুড়ি কোটি টাকা গুনতে পেরেছেন ব্যাংক কর্মীরা। এছাড়াও পাওয়া গেছে প্রচুর সোনার বাট। যার বাজারমূল্য কমপক্ষে দুই কোটি টাকা হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান। উদ্ধার হয়েছে বেশকিছু রুপোর টাকা ও অ্যান্টাক গয়না। বেশকিছু দলিল পাওয়া গেছে বলেও জানা গেছে ইডি সূত্রে।

টাকা নিয়ে যেতে বেলঘড়িয়ার ক্লাব টাউনহাউস আবাসনের প্রবেশ করেছে ট্রাক। সেই ট্রাকে রয়েছে কুড়িটি ট্রাঙ্ক। ট্রাঙ্কে করে টাকা ভরে নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানা গেছে।
সন্ধ্যেবেলা থেকেই জানা গিয়েছিল পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায় তার আর একটি ফ্ল্যাটে আরও টাকার হদিস মিলেছে। সে টাকা গোনার জন্য স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া থেকে টাকা গোনার মেশিন ও ব্যাঙ্ক কর্মী আসতেই খবর পাকা বলে স্পষ্ট হয়ে যায়। যে নোট গণনার যন্ত্র আনা হয়েছে তা অত্যাধুনিক। এই যন্ত্র দিয়ে প্রতি ৫ সেকেন্ডে ১০০টি নোট পর্যন্ত গোণা সম্ভব। সাধারণত কারেন্সি টেস্টে বড় অঙ্কের টাকা গুনতে এই ধরনের যন্ত্র ব্যবহার করা হয়। আর এর থেকেই ধারণা করা হয়েছিল টালিগঞ্জের পর বেলঘড়িয়াতেও বিপুল পরিমাণ টাকার পাহাড় উদ্ধার করতে চলেছে। আর সময় যত যাচ্ছে তাতে স্পষ্ট হচ্ছে এখানে টাকার পাহাড় অনেক বেশি উঁচু ।

