আমাদের ভারত, জলপাইগুড়ি, ১১ নভেম্বর: জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের সভাধিপতি উত্তরা বর্মণকে মিসগাইড করা হচ্ছে বলে তিনি নিজেই দাবি করলেন৷ সংবিধান মেনে কাজ হচ্ছে না পরিষদে এমনটাই অভিযোগ তুললেন খোদ সভাধিপতি উত্তরা বর্মণ। নাম না করে সহকারী সভাধিপতি দুলাল দেবনাথের দিকে অভিযোগের তীর সভাধিপতির।
বৃহস্পতিবার ১৮দফা দাবি নিয়ে জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদে স্মারকলিপি দেওয়ায় পূর্বঘোষিত কর্মসূচি ছিল জেলা কংগ্রেসের। দপ্তরে সভাধিপতি উপস্থিত থাকাকালীন সহকারী সভাধিপতি দুলাল দেবনাথ জাতীয় কংগ্রেসের স্মারকলিপি গ্রহন করেন। এই দেখে বেজায় চোটে যান সভাধিপতি। তিনি বিষটি নিয়ে দপ্তরের আধিকারিকদের কাছে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন তার দপ্তরে কোনো চিঠি আসেনি। অথচ জাতীয় কংগ্রেসের পক্ষথেকে গত ৪ নভেম্বর জেলাপরিষদের সভাধিপতিকে চিঠি দিয়ে অনুমতি নেওয়া হয়েছিল৷
এখানেই প্রশ্ন সভাধিপতিকে উদ্দেশ করে করা চিঠি অথচ তাঁকে না জানিয়ে কে অনুমতি দিয়েছিলেন। সভাধিপতি নাম না করে সহকারী সভাধিপতি দুলাল দেবনাথের দিকে অভিযোগ তুলেছেন। সরকারি নিয়ম মেনে কাজ করছেন না বলে অভিযোগ তুলেছেন তিনি।
তৃণমূল পরিচালিত জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের দুই প্রধানের মধ্যে দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসায় রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে৷ কংগ্রেসের জেলা সভাপতি পিনাকী সেনগুপ্ত বলেন, জেলাপরিষদের সভাধিপতি ও সহকারী সভাধিপতির মধ্যে দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এল। এটা তাদের ব্যর্থতা।”
যদিও কোনো সমস্যা নেই সভাধিপতির সঙ্গে বলে সাফাই দিয়েছেন সহকারী সভাধিপতি দুলাল দেবনাথ।
ছবি: সহকারী সভাধিপতি দুলাল দেবনাথকে স্মারকলিপি দিচ্ছেন কংগ্রেস নেতৃত্ব।

