জে মাহাতো, আমাদের ভারত, মেদিনীপুর, ৪ নভেম্বর: ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ বছর, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর এবং বঙ্গবন্ধু মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষ্যে “স্নেহালয়” নামক একটি সংস্থার উদ্যোগে মহারাষ্ট্রের আহম্মদনগর থেকে বাংলাদেশের নোয়াখালী পর্যন্ত একটি সদ্ভাবনা সাইকেল যাত্রার আয়োজন করা হয়েছে। ২ অক্টোবর গান্ধী জন্ম জয়ন্তীর দিন “জোড়ে ভারত, জয় জগৎ” শ্লোগান তুলে, একশো জন সদস্যকে নিয়ে ৭৫ দিনের এই সাইকেল যাত্রা শুরু হয়েছে।

সাইকেল যাত্রায় মূল সহযোগী হিসেবে রয়েছেন রোটারী ক্লাব অফ আহম্মদনগর এবং প্রেমরাজ সারডা মহাবিদ্যালয়। ভারতের বেশ কয়েকটি অঙ্গরাজ্যের বিভিন্ন এলাকা ছুঁয়ে, বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকা পরিক্রমা করে ১৬ ডিসেম্বর নোয়াখালী পৌঁছানোর কথা। সব মিলিয়ে মোট যাত্রাপথ প্রায় তিন হাজার কিলোমিটার। অভিযাত্রী দলটি বুধবার সন্ধ্যায় মেদিনীপুরে এসে পৌঁছায়, বৃহস্পতিবার সারাদিন মেদিনীপুর শহরে থাকছে এই দলটি। শুক্রবার ভোরে মেদিনীপুর থেকে কোলাঘাটের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন। দলে নেতৃত্ব দিচ্ছেন অধ্যাপক ড: গিরীশ কুলকার্নী।
দলে যেমন রয়েছেন ৬২ বছরের অবসর প্রাপ্ত ব্যাঙ্ক কর্মী সিদ্ধার্থ বাগমারে, তেমনি রয়েছেন দশ বছরের স্কুল ছাত্র সিদ্ধার্থ আওয়ারে। রয়েছেন সমাজকর্মী বিশাল আহিরে, ৫৯ বছর বয়স্ক মহিলা হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক মেঘনা মারাঠে, অধ্যাপক যোগেশ গৌলি, অধ্যাপক অঙ্কুশ আওয়ারে, কলেজ ছাত্রী রতু ঝাঁ, ভিআরএস নেওয়া বেসরকারি সংস্থার কর্মী মহেশ বডগুজর সহ অন্যান্যরা।দলে রয়েছেন কেরালার অভিযাত্রী অজিত রাজগোপাল, রয়েছেন একহাতে সাইকেল চালানো অভিযাত্রী দত্তু থোরাথ, কানে শুনতে না পাওয়া অভিযাত্রী রত্নাকর সেজওয়ার, রয়েছেন সাইকেল রিপিয়ারিং থেকে শুরু করে নানা কাজে পারদর্শী অভিযাত্রী সুনীল কামলে।

মেদিনীপুরে শ্যাম সংঘ ও বেরা ডিস্ট্রিবিউটরের আতিথিয়তা এঁরা গ্রহণ করেছেন। বেরা ডিস্ট্রিবিউটরের পক্ষ থেকে অভিযাত্রীদের থাকা সাইকেল গুলিকে টেকনিক্যাল সার্পোট দেওয়া হয়। অন্যান্য জায়গার পাশাপাশি অভিযাত্রী দলটি বৃহস্পতিবার সকালে মেদিনীপুর নির্মল হৃদয় আশ্রম স্কুল ও চার্চ পরিদর্শন করেন এবং ফাদারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

