Honored, Rashmi Group, নি-ক্ষয় মিত্র হিসেবে রশ্মি গ্রুপ’কে সম্মাননা

পার্থ খাঁড়া, আমাদের ভারত, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১৯ আগস্ট: মোদী সরকার পরিচালিত ‘আয়ুষ্মান দিবস ‘ এর শুভ সূচনা হলো পশ্চিমবঙ্গে। ১৬ই আগস্ট এই সূচনার প্রাক্কালে আবারও পূর্ব ভারতের অন্যতম বৃহৎ শিল্প গোষ্ঠী রশ্মি গ্রুপ সমাজমূলক কর্মের দৃষ্টান্ত স্থাপন করল। যক্ষ্মা নির্মূলের লক্ষ্যে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের উদ্যোগের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করল রশ্মি গ্রুপ। যক্ষ্মা রোগীদের পুষ্টি সহায়তার জন্য ‘নি-ক্ষয় মিত্র’ হিসেবে সংস্থার পক্ষ থেকে ২০০ রোগীকে ৬ মাসের জন্য ৬ লক্ষ টাকা অনুদান প্রদান করা হয়েছে।

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের কার্যালয় থেকে ১৬ আগস্ট ২০২৬ বিকেল ৩টেয় মেদিনীপুর জেলা পরিষদের শহিদ প্রদ্যুৎ স্মৃতি সভাগৃহে আয়ুষ্মান ভারত PM-JAY এবং মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা যোজনার জেলা- স্তরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে জেলা শাসক, জেলা পুলিশ সুপার, মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক, জেলার বিধায়ক, কোম্পানির কর্মকর্তা, এছাড়াও নার্স, ডাক্তার, টিবি রোগী সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উক্ত অনুষ্ঠানে রশ্মি গ্রুপের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ভাস্কর চৌধুরীর অনুপস্থিতিতে ডিজিএম সিএসআর মিস্টার নটবর বিশওয়ালকে রশ্মি গ্রুপের অসামান্য সামাজিক দায়বদ্ধতা ও জনস্বাস্থ্যের প্রতি অবদানের জন্য জেলা শাসক নিজের হাতে এই সম্মান প্রদান করেন।

‘নি-ক্ষয় মিত্র’ উদ্যোগের মাধ্যমে যক্ষ্মা আক্রান্ত রোগীদের জন্য এনার্জি ডেন্স নিউট্রিশন ডায়েট সরবরাহে এই অনুদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। পুষ্টিকর খাদ্য সহায়তার মাধ্যমে রোগীদের চিকিৎসার পাশাপাশি তাঁদের শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে এই উদ্যোগ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

প্রধানমন্ত্রীর টিবি মুক্ত ভারত অভিযানের আওতায় যক্ষ্মা নির্মূলের লক্ষ্যে সরকারি উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করতে রশ্মি গ্রুপের এই সহযোগিতা নিঃসন্দেহে একটি প্রশংসনীয় সামাজিক দায়বদ্ধতার পরিচয়। জনস্বাস্থ্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে শিল্প সংস্থার এই ধরনের অংশগ্রহণ সমাজের বৃহত্তর কল্যাণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর রশ্মি গ্রুপের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন এবং রশ্মি গ্রুপের এই প্রয়াস যক্ষ্মামুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে এক বড় পদক্ষেপ বলেই আশা প্রকাশ করেছেন। সরকারি উদ্যোগের সঙ্গে বেসরকারি সংস্থার এই যৌথ প্রয়াস আগামী দিনে আরও সুদৃঢ় হবে বলেই আশা করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *