মাটি ধস ঠেকাতে বুদবুদে সেচখালের পাড়ে বৃক্ষরোপন

জয় লাহা, দুর্গাপুর, ১৭ জুলাই: গ্রামের পাশ দিয়ে চলে গেছে সেচ ক্যানেল। তার ওপর নির্ভর কয়েক’শ হেক্টর কৃষিজমি। সেচ ক্যানেলের পাড়ে রাস্তা রয়েছে। রাস্তার পাশে সেভাবে গাছ নেই। আর তাই সেচ ক্যানেলের পাড়ে মাটি ধস ঠেকাতে বৃক্ষরোপন করল বুদবুদের আরিফ ফাউন্ডেশন নামে একটি সেচ্ছাসেবী সংগঠন। রবিবার বন দফতরের সহযোগিতায় প্রায় ১০০ চারা গাছ লাগানো হয়। 

প্রসঙ্গত, চলতি মরশুমে শ্রাবন মাসের শুরুতে বর্ষার এখনও দেখা নেই। তার ফলে দুশ্চিন্তায় পড়েছে চাষিরা।ধানের বীজ তৈরী হলেও, বৃষ্টির জলের অপেক্ষায় তির্থের কাক হয়ে বসে আছে চাষিরা। একরের পর একর চাষজমি শুকনো খাঁ খাঁ করছে। একগুচ্ছ ধানও লাগাতে পারেনি। অনাবৃষ্টির কারণ স্বরূপ অতিরিক্ত পরিবেশের বায়ু দূষণ ও সবুজ ধ্বংসকে দায়ী করছে পরিবেশ কর্মীরা। বুদবুদের চাকতেঁতুল পঞ্চায়েতের শালডাঙা, বনগ্রাম, গোমহল, পান্ডুদহ গ্রামের পাশ দিয়ে চলে গেছে ডিভিসির মূল সেচ ক্যানেল। তার ওপর ওই সমস্ত এলাকার প্রায় হাজার হেক্টর চাষজমি নির্ভরশীল। সেচ ক্যানেলের ওপর ইদানীং পাকা রাস্তা হওয়ায় ভারি যান চলাচল শুরু করেছে। আর তাতেই ক্যানেলের মাটি ধসের আশঙ্কা করছে চাষিরা। সেচ ক্যানেল পাড়ের মাটি ধস রুখতে অরণ্য সপ্তাহে বৃক্ষ রোপনের উদ্যোগ নিল স্থানীয় আরিফ ফাউন্ডেশন নামে একটি সেচ্ছাসেবী সংগঠন। রবিবার সংগঠনের সদস্যার ক্যানেল পাড়ের আগাছা পরিস্কার করে চারা গাছ লাগানো শুরু করে। এদিন প্রায় ১০০ টির মত কদম, সেনাঝুরি, মেহগিনি, বহড়া, কৃষ্ণচূড়ার মত গাছের চারা রোপন করে। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় তেঁতুল পঞ্চায়েতের প্রধান অশোক ভট্টাচার্য। এদিন তিনি সেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

সংগঠনের পক্ষে সামসুল হক জানান, “প্রতিবছর আমাদের পরিবেশের ওপর ও নানান সামাজিক সেবাকাজ করা হয়। এবছর পরিবেশের স্বার্থে বৃক্ষরোপনের ওপর বেশি জোর দেওয়া হয়েছে।” 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *