আমাদের ভারত, ২৮ মে:
যসের তাণ্ডবে প্লাবিত রাজ্যের একাধিক এলাকা। সমুদ্রের নোনা জল ঢুকেছে গ্রামে, ফলে পুকুরের মিষ্টি জলে তা মিশতেই মারা গেছে ঝাঁকে ঝাঁকে মাছ। কিন্তু একসাথে এই মরে যাওয়া মাছ কিভাবে কাজে লাগানো যায়? ঘূর্ণিঝড়ের পর পর্যালোচনায় বৈঠকে বসে সেই পরামর্শ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
রাজ্যের মৎস্য সচিবকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ছোট মাছের সঙ্গে প্রচুর বড় বড় মাছ মারা গেছে। বড় মাছগুলোকে তুলে এক জায়গায় জড়ো করে কেটে কেটে শুকিয়ে ড্রাই করা যেতে পারে তো। এটা আমরা বাজারে বিক্রি করতে পারি কিনা! তা দেখতে হবে, তাহলে মাছটা ভালো থাকবে। আমরা যেমন করি আর কি! কেটে পরিষ্কার করে মাছে নুন হলুদ মাখিয়ে রেখে দিই। এতে মাছটা ভালো থাকে।”
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “মাছ অনেক মরে গেছে। বাংলার মানুষ তো মাছ খেতে ভালোবাসে। শারীরিকভাবে কোনো ক্ষতি না হলে সেই মাছ তুলে নুন হলুদ মাখিয়ে রোদ্দুরে শুকাবো, ড্রাই করার ব্যবস্থা করতে পারি, তাহলে লোকে নেবে। সেগুলি বাড়িতে ঝোল করে খেতে পারে।”
তবে এই ব্যাপারে সচিবকে তিনি বিশেষজ্ঞদের মতামত নিতে বলেন। তিনি বলেন বিশেষজ্ঞদের সাথে এটা কথা বলে দেখো।
কিন্তু সাধারণ ভাবে আমরা জানি, মাছ ধরার সঙ্গে সঙ্গে তা বরফ বা নুন দিয়ে সংরক্ষণ করতে হয়। পুকুরের মৃত মাছ কখনো খাওয়া উচিত নয়, কারণ মাছের মৃত্যুর পর তার দেহে পচন ধরলে তবেই মাছ ভেসে ওঠে। সেই পচা মাছ খাওয়া মানুষের পক্ষে ক্ষতিকর হতে পারে।

