আশিস মণ্ডল, বীরভূম, ৬ মার্চ: ছাদ থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করলেন এক রোগী। ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। রোগীর আত্মীয়দের অভিযোগ, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কর্তব্যে অবহেলার কারণেই আত্মহত্যা করেছেন রোগী।
আত্মঘাতী রোগীর নাম দিল মহম্মদ শাহ। তার বাড়ি মাড়গ্রাম থানার কৌর গ্রামে। ৪ মার্চ সে বাড়িতেই কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। তাকে রামপুরহাট গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসারত ছিলেন তিনি। রবিবার হাসপাতালের পাঁচ তলা ছাদ থেকে তিনি মাটিতে ঝাঁপ দেন। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার। এরপরই হাসপাতাল চত্বরে ভাঙ্গচুর চালায় রোগীর আত্মীয় স্বজনরা। খবর পেয়ে রামপুরহাট থানার পুলিশ আত্মঘাতী রোগীর পরিবারের কয়েকজনকে আটক করে পরিস্থতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

মৃত রোগীর নিকট আত্মীয় হালিমা বিবি বলেন, “বাড়িতে কেউ পুরুষ মানুষ নেই। তাই আমরা অনুরোধ করেছিলাম একজন মহিলা রোগীর কাছে থাকি। কিন্তু হাসপাতালের নার্সরা আমাদের কাউকে থাকতে দেয়নি। এমনকি রোগীর প্রতি কেউ নজর দেয়নি। তাই পাঁচ তলার ছাদে উঠে আত্মহত্যা করেছে। আমাদের কাউকে কাছে থাকতে দিলে এমন ঘটনা ঘটতো না। এই ঘটনার সঙ্গে যাদের কর্তব্যে গাফিলতি রয়েছে তাদের আমরা শাস্তি চাই”।
ওয়ার্ড মাষ্টার শুকদেব ভাণ্ডারী বলেন, “অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি বলে আমার কাছে খবর আসে। আমি সেই মতো পুলিশকে জানানোর জন্য লিখছিলাম। তার মধ্যেই মৃত ব্যক্তির আত্মীয়রা আমাকে তুলে নিয়ে গিয়ে মারধর করল। হাসপাতালে ভাঙ্গচুর চালিয়েছে। কি করে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হল বলতে পারব না”।

