ছবি- প্রতীকি
আমাদের ভারত, হুগলী, ১০ জুন: মাধ্যমিকে ষষ্ঠ হয়ে মেধা তালিকায় নজর কেড়েছিল মানকুন্ডুর সোহম দাস। এবার মাধ্যমিকের ধারাবাহিকতাও বজায় রাখল উচ্চমাধ্যমিকে। চলতি বার উচ্চ মাধ্যমিকে মেধা তালিকায় তৃতীয় স্থান অধিকার ফের মেধার পরিচয় রাখলেন সোহম দাস।
মাধ্যমিকে ৫০০-র মধ্যে তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ছিল ৪৯৬। হুগলী কলেজিয়েট স্কুলের ছাত্র সোহমের ইচ্ছে ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার। তিনি জানিয়েছেন, বম্বে বা দিল্লি আইআইটি থেকে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে চান।
করোনার সময়ে লকডাউনে বিদ্যালয়ে অফলাইনে পড়াশোনা বন্ধ হলেও অনলাইনে নিয়মিত পড়াশোনা করেছে সোহম। উচ্চ মাধ্যমিকের জন্য দিনে ১৪ ঘণ্টা পড়াশোনা করত। বাবা-মা, দু’জনেই শিক্ষক। তবে শুধু পড়াশোনা নয়, খেলাধূলোতেও সমান পারদর্শী তিনি।
উচ্চ মাধ্যমিকে চতুর্থ হয়েছেন নীতিশ হালদার। বাবা নলিনী রঞ্জন হালদার গত হয়েছেন এগারো বছর আগে। তার পর সংসারের হাল ধরেন মা প্রভাতী হালদার। মুদিখানার দোকান চালান তিনি। হুগলীর ব্রাঞ্চ স্কুলের ছাত্র নীতিশের প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৫। আগামীদিনে পদার্থবিদ্যা নিয়ে পড়তে চায় নীতিশ।
উচ্চ মাধ্যমিকে চতুর্থ হয়েছেন আরামবাগ গার্লস হাই স্কুলের ছাত্রী তিতলি বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৫। চতুর্থ হয়েছেন। হুগলীর আরও এক ছাত্রী আনন্দরূপা মুখোপাধ্যায়। তিনি জাঙ্গীপাড়া রহিমপুর নবগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী।
উচ্চ মাধ্যমিকে পঞ্চম হয়েছেন মুসাইব নওয়াজ। হুগলীর ফুরফুরার দক্ষিণডিহি হাই স্কুলের ছাত্রের প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৪। এ ছাড়াও, ব্যান্ডেলের এলিট কোয়েড স্কুলের ছাত্র সৌম্যরঞ্জন জানা হয়েছেন দশম।

