দেশের এক এক প্রান্তে এই উৎসবের এক এক নাম

আমাদের ভারত, ১৪ জানুয়ারি: শেক্সপিয়র বলেছিলেন, নামেতে কীআসে? পৌষ উৎসবের ক্ষেত্রে কথাটা যেন আক্ষরিক অর্থেই সঠিক।

উত্তরপ্রদেশে এই উৎসবের নাম উত্তরায়ণ। ঘুঘুটি বা মকর সংক্রান্তি বলেও ডাকা হয় সেখানে। অন্ধ্রপ্রদেশে এই উৎসবের নাম পেড্ডা পান্ডুগা। 
তেলেঙ্গানায় দিনটি পালন করা হয় সংক্রান্তি, মকর সংক্রান্তি বা উত্তরায়ণ হিসাবে। মধ্যপ্রদেশেও তাই। তবে সেখানে কেউ কেউ দিনটিকে মকর সংক্রমণও বলেন। ওড়িশায় এ দিনটির নাম মকর চাউলা বা মকর সংক্রান্তি। বিহারে অনেকে এই দিনটিকে তিল সংক্রান্তি হিসাবেও পালন করেন।

কেরলে এই উৎসবের নাম মকরভিলাক্কু বা মকর জ্যোতি। কর্ণাটকে সুগ্গি হাব্বা নামে ডাকা হয় একে।
তামিলনাড়ুতে একে পোঙ্গল বলা হয়। প্রতিবেশি দেশ শ্রীলঙ্কাতেও অনেকে পোঙ্গল পালন করেন। খুব ধুমধাম করে দিনটি পালন করা হয়। 

মহারাষ্ট্র এবং গোয়ায় একে ডাকা হয় হলদি কুমকুম নামে। অনেকে আবার মাঘি সংক্রান্তিও বলেন। গুজরাটে এদিন ঘুড়িরও উৎসব। উত্তরায়ণ নামে ডাকা হয় দিনটিকে। হিমাচল প্রদেশে একে ডাকা হয় মাঘি সাজি নামে। রিয়ানায় এর নাম সক্রত। পঞ্জাবেও এর নাম মাঘি। এদিন লোরি উৎসব পালন করা হয় রাজ্যে। 

অসমে এই দিনটিতে পালন করা হয় মাঘ বিহু। ভোগালি বিহুও বলেন অনেকে। ত্রিপুরাই একে হাংরাই বলা হয়। পশ্চিমবঙ্গে এই দিনটিকে পৌষ পার্বণ হিসাবে পালন করা হয়। পিঠেপুলি, পাটিসাপটা তৈরি হয় বাড়িতে বাড়িতে। প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশেও এ দিন পৌষ পার্বণ পালন করা হয়।

সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়াতেও এই দিনটি পালন করা হয়। উজাভার থিরুনাল আর থাই পোঙ্গাল বলা হয় একে। যে প্রদেশে বা যে দেশেই পালন করা হোক না কেন, সর্বত্রই কারণ একই ধরনের। সূর্যের আরাধনা বা নতুন ফসল ফলানোর দিনটি উদ্‌যাপন করা। এই কারণেই পালন করা হয় মকর সংক্রান্তি। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *