আমাদের ভারত, ৩ নভেম্বর: গুরগাঁওতে ৩৭টি জায়গায় নমাজ পড়া হতো। তার মধ্যে ৮টি জায়গার অনুমতি বাতিল করে দিল স্থানীয় প্রশাসন। ওই জায়গাগুলিতে নমাজ পড়া নিয়ে স্থানীয় মানুষরা আপত্তি জানিয়েছেন, কারণ ওই জায়গাগুলি কোনও ব্যক্তিগত মালিকানাধীন নয় সর্বসাধারণ ব্যবহারের জায়গা। ফলে স্থানীয়দের আপত্তি থাকায় ওই স্থানগুলিতে নমাজের অনুমতি বাতিল করেছে প্রশাসন।
একই সঙ্গে প্রশাসন এও জানিয়েছে বাকি ২৯টি স্থানের ক্ষেত্রেও যদি কোনও আপত্তি ওঠে তাহলে সেগুলিরও অনুমতি বাতিল করা হবে। গুরগাঁওর স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে কোনো খোলা জায়গায় নমাজ পড়তে গেলে স্থানীয় প্রশাসনের থেকে অনুমতি নিতে হবে কিন্তু যদি স্থানীয় মানুষই নমাজ পড়তে দিতে রাজি না থাকে তাহলে সেখানে অনুমতি দেওয়া হবে না।
যে স্থানগুলির অনুমতি বাতিল করা হয়েছে তার মধ্যে বেঙ্গলি বস্তি, ডিএলএফ ফেজ ৩ ব্লক ৫, মুরাদনগর রিজওয়ান, ডিএলএফ স্কোয়ার টাওয়ার। এছাড়া গুরগাঁওয়ের সীমান্ত খিরকি মাজরা ও দৌলতাবাদ গ্রামের কাছে দুটি স্থানের অনুমতি বাতিল করা হয়েছে। এই সমস্ত স্থানের মসজিদে, সদরঘাটের বাড়ির ভেতরে নমাজ পড়া যাবে। কিন্তু দলবেঁধে কোনও সাধারণ মানুষের ব্যবহারে জায়গায় নমাজ পড়া যাবে না।
এর আগে প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছিল, যে রাস্তা বন্ধ করে নমাজ পড়া চলবে না। নির্দিষ্ট কোনও স্থানে স্থানীয় বাসিন্দাদের অনুমতি নিয়ে নমাজ পড়তে হবে। শেষ কয়েক সপ্তাহ ধরে সর্বসাধারণের ব্যবহারের জায়গায় নমাজ পড়া নিয়ে প্রতিবাদ করতে দেখা গেছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের সদস্যদের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ৩০ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

