বাংলাদেশে দুর্গাপুজোর মন্ডপে তান্ডব ও প্রতিমা ভাঙ্গচুরের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের

আমাদের ভারত, ১৪ : বাংলাদেশে দুর্গাপুজোর মন্ডপ ও প্রতিমা ভাঙ্গচুরের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক। ঘটনার উপর নজর রাখা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে মন্ত্রকের তরফে।

কেন্দ্র সরকারের তরফে বলা হয়েছে পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তে হিন্দু আক্রান্ত হলে বা , তাঁর ধর্মবিশ্বাস আক্রান্ত হলে, রাষ্ট্র হিসেবে ভারতের নৈতিক দায়িত্ব আছে। সম্পূর্ণ ঘটনার উপর নজর রাখা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে মন্ত্রকের তরফে।

বাংলাদেশে শতাধিক দুর্গাপুজোর মন্ডপ ও প্রতিমা ভেঙ্গে দেওয়ার মতো ভয়াবহ ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে সেদেশের হিন্দু কাউন্সিল। নিন্দার ঝড় উঠেছে সব মহলে। তাদের অভিযোগ, সনাতন ধর্ম ও সনাতনীদের শেষ করে দেওয়ার চক্রান্ত চলছে।

কুমিল্লার নানুয়া দিঘিতে বুধবার সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর প্যান্ডেলে হামলা চালায় একদল উত্তেজিত জনতা। দেবী দুর্গার পায়ের কাছে পবিত্র কোরান রাখা হয়েছে। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই হামলা চলে, বলে জানা যায়। প্রতিমাটি ভেঙ্গে একটি পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়। কোরান রাখার খবরটি হোয়াটসঅ্যাপে ছড়িয়ে ছিল। একই সঙ্গে উস্কানিমূলক মন্তব্য ও ছবি শেয়ার হতে থাকে। ফলে পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। স্থানীয়দের দাবি, পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। কুমিল্লার হিংসার ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আধা-সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

বাংলাদেশ হিন্দু ইউনিটি কাউন্সিল টুইট করে সমস্ত ঘটনা জানান। বাংলাদেশের হিন্দু কাউন্সিল লিখেছে, “বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কলঙ্কজনক দিন। গত ২৪ ঘন্টায় যা ঘটেছে তা আমরা টুইটে প্রকাশ করতে পারি না। বাংলাদেশের হিন্দুরা কিছু মানুষের আসল চেহারা দেখেছে। ভবিষ্যতে কি হবে তা আমরা জানি না কিন্তু বাংলাদেশের হিন্দুরা ২০২১ সালের দুর্গাপুজো ভুলবে না।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *