পার্থ খাঁড়া, আমাদের ভারত, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২৮ নভেম্বর: মেদিনীপুর সমন্বয় সংস্থার মেদিনীপুর টাউন আঞ্চলিক ইউনিটের উদ্যোগে মেদিনীপুর শহরের কে ডি কলেজ অফ কমার্স অ্যান্ড জেনারেল স্টাডিজের সভাগৃহে অনুষ্ঠিত হল বিজয়া সম্মিলনী ও সংবর্ধনা জ্ঞাপন অনুষ্ঠান। বিদ্যাসাগর, মাতঙ্গীনি, ক্ষুদিরাম ও দেশপ্রাণের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।
উদ্বোধনী সঙ্গীত পরিবেশন করেন শহরের খ্যাতনামা কণ্ঠশিল্পী ঝুমঝুমি চক্রবর্তী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ও কয়েকটি নাম সহ কয়েকটি উপসমিতি গঠনের প্রস্তাব এবং আগামী ২০২৪ সালের জন্য টাউন আঞ্চলিক ইউনিটের বার্ষিক কর্মসূচি প্রকাশ করেন ইউনিট সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় খাটুয়া।বিজয়া সম্মিলনীর পৌরাণিক ইতিবৃত্ত তুলে ধরেন প্রখ্যাত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ডাঃ হৃষিকেশ দে। বিজয়া সম্মিলনীর তাৎপর্য ব্যাখ্যা করেন মেদিনীপুর শহরের স্বনামধন্য শল্য চিকিৎসক ডাঃ গোলক বিহারী মাঝ ও মেদিনীপুর কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ ডঃ গোপাল চন্দ্র বেরা। আবৃত্তি পরিবেশন করেন প্রাক্তন অধ্যাপক অজিত কুমার বেরা, কাব্যকলার কর্ণধার চিত্তরঞ্জন দাস, বৃন্তিকা জানা প্রমুখ। সঙ্গীত পরিবেশন করে অনুষ্ঠানটিকে মাতিয়ে দেন ঝুমঝুমি চক্রবর্তী, দীপেশ দে, মহুয়া ব্যানার্জি প্রমুখ।

এদিনের এই অনুষ্ঠানে মেদিনীপুর সমন্বয় সংস্থার কেন্দ্রীয় কমিটির প্রদেয় “বিদ্যাসাগর শিক্ষক সম্মান” প্রদান করা হয় মেদিনীপুর মহাবিদ্যালয়ের ভূতপূর্ব অধ্যক্ষ অধ্যাপক মুকুল রঞ্জন রায়কে। এদিনের অনুষ্ঠান মুকুল রঞ্জনবাবুর একটি দীর্ঘ কবিতা আবৃত্তি করে শোনান। এছাড়াও শাল ও পুষ্পস্তবক দিয়ে সম্মান জানানো হয় অপর দুই “বিদ্যাসাগর শিক্ষক সম্মাননা” প্রাপক অধ্যাপক জগবন্ধু অধিকারী ও শিক্ষাব্রতী মদন মোহন বেরাকে। তিনজনকে সম্মাননা তুলে দেন অধ্যাপক মন্টুরাম জানা, চিত্তরঞ্জন গরাই, পরিমল মাহাত, ডঃ প্রসূন কুমার পড়িয়া, গোবিন্দ চন্দ্র খাঁন, শিশির ত্রিপাঠী, ভরত রায় প্রমুখ সদস্য বৃন্দ।মদন মোহন বেরার লেখা “বেলাশেষে” বইখানি এদিনের অনুষ্ঠানে অনুষ্ঠানে প্রকাশিত হয়।
এদিনের এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউনিট সভাপতি মানিক চন্দ্র ঘাঁটা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ইউনিটের কার্যকরী সভাপতি ডঃ মিলন কুমার সরকার। সমগ্ৰ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইউনিট কোষাধ্যক্ষ ডাঃ অরূপ কুমার দাস।

