রাজেন রায়, কলকাতা, ১৩ সেপ্টেম্বর: এতদিন ধরে ভবানীপুর এলাকায় দৌড়ঝাঁপ করছিলেন তার সেনাপতিরা। এবার ভবানীপুরের ভোট ময়দানে নেমে পড়লেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। উপ নির্বাচনের বাকি আর মাত্র ১৭ দিন। সোমবার বিকেলে ইকবালপুরের ষোলআনা মসজিদে ফিরহাদকে সঙ্গে নিয়ে গেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রস্তুতি নিয়ে এ বার ইমামদের সঙ্গে একটি বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
কুর্সি ধরে রাখার জন্য এই উপনির্বাচনে যে তাঁকে জিততেই হবে সেটা তৃণমূল নেত্রীও ভালোভাবে জানেন। যে কারণে ভোটের আর ১৭ দিন বাকি থাকতেই প্রচারের খুঁটিনাটি বিষয় বুঝে নিচ্ছেন মমতা নিজে। ভবানীপুরের অন্তর্গত একবালপুর এলাকার ষোলোআনা মসজিদে সোমবার বিকেলেই হাজির হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে পৌঁছেই ইমামদের সঙ্গে একটি একান্ত বৈঠক করেন তিনি। ভোটের আগে যা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
একুশের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর আসনে তৃণমূলের প্রার্থী ছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। বিজেপি প্রার্থী তথা অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষকে বেশ বড় ফারাকে পরাস্ত করেন তিনি। নির্বাচনের এলাকাভিত্তিক ফল থেকে জানা যায়, খিদিরপুর ঘেঁষা একবালপুর এলাকা থেকে প্রায় ১৮ হাজার ভোটের লিড পেয়েছিলেন রাজ্যের বর্তমান কৃষিমন্ত্রী। ফলে এই আসনে তৃণমূলের জয়ের নেপথ্যে সংখ্যালঘুরা একটা বড় ভূমিকা নিয়েছিলেন বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের। তাই মুখ্যমন্ত্রীর প্রচার শুরু সংখ্যালঘু ভোট ব্যাঙ্ককে শক্ত করেই, বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

