পিন্টু কুন্ডু, বালুরঘাট, ৭ সেপ্টেম্বর: বালুরঘাট কলেজের ৭৫ বছর পূর্তি উৎসবে ব্রাত্য স্থানীয় বিধায়ক ও সাংসদ। রাজনীতির বাইরে বেরতে পারেনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। আমন্ত্রণ না পেয়ে আক্ষেপ বালুরঘাটের সাংসদ তথা বালুরঘাট কলেজের প্রাক্তনী সুকান্ত মজুমদারের। অদৃশ্য কারোর অঙ্গুলিহেলনেই চলছে কলেজ কর্তৃপক্ষ, মনে করছেন সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।
বুধবার বালুরঘাটে একটি সাংবাদিক বৈঠকে সুকান্ত মজুমদার আক্ষেপের সুরে বলেন, তিনি কলেজের প্রাক্তন ছাত্র। আমন্ত্রণ না পেলেও সাধারণ ছাত্র হিসাবে কলেজে যাবেন। তবে আমন্ত্রণ পত্রে তার নাম না থাকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তাঁকে যোগ্য মনে করেনি বলেই এমনটা হতে পারে। উল্লেখ্য, ৮ সেপ্টেম্বর তারিখ থেকে শুরু হবে বালুরঘাট কলেজের ৭৫ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান। যাকে ঘিরে ইতিমধ্যে নানা আয়োজন করা হয়েছে কলেজের তরফে। ইতিমধ্যে তার একটি আমন্ত্রণ পত্রও তৈরি করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। আর যে আমন্ত্রণ পত্র ঘিরেই বিতর্ক সামনে এসেছে। আমন্ত্রণ পত্রে অতিথি, বিশেষ অতিথি, সন্মানীয় অতিথি বলে মন্ত্রী থেকে প্রাক্তন মন্ত্রী, প্রাক্তন বিধায়ক সহ একাধিক নাম রাখা হয়েছে। কিন্তু কোনো এক অজ্ঞাত কারণে সেই আমন্ত্রণ পত্রে জায়গা পাননি বালুরঘাটের বিধায়ক তথা বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অশোক লাহিড়ী, জায়গা পাননি বালুরঘাটের সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও।
যদিও এনিয়ে কিছুটা আক্ষেপের সুরে সাংসদ জানিয়েছেন, আমন্ত্রণ পত্রে তার নাম না থাকলেও একজন কলেজের ছাত্র হিসাবে যতটা সম্ভব সাহায্য করবেন। যদিও এই অনুষ্ঠান নিয়ে এর আগে সাংবাদিক বৈঠক ডেকে সকলকেই একত্রিত করার আহ্বান জানিয়েছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ পঙ্কজ কুন্ডু। শুধু তাই নয়, ৭৫ বছরের এই অনুষ্ঠানে সবকিছুর ঊর্দ্ধে গিয়ে কাজ করবার ডাকও দিয়েছিলেন তিনি। তারপরেও কেন এই ঘটনা? যা নিয়েই উঠেছে প্রশ্ন। তবে অনেকেই এই ঘটনার পিছনে রাজনীতির গন্ধ খুঁজে পাচ্ছেন।

